সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বদলাচ্ছে তৈরি পোশাকের ব্যবসার ধরন। বিশ্ববাজারে সময়ের সাথে তাল মিলাতে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত । আর হিমশিম খাওয়ার অন্যতম কারণ পণ্য উৎপাদনে বৈচিত্র্য না থাকা বলে মনে করেন পোশাক রপ্তানিকারকরা।
বাংলাদেশে এই কারণেই নাকি চীনের হারানো বাজার ধরতে পারছে না বলে মত অর্থনীতিবিদদের। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাজারের সিংহভাগই লুফে নিচ্ছে ভিয়েতনাম।
গত কয়েক বছরে দেশের উদ্যোক্তারা তৈরি পোশাকের কারখানার মান ও পণ্য উৎপাদনে যতোটা মনোযোগ দিয়েছে , সেই তুলনায় তেমন কোন নজর দেননি রকমারি ও উচ্চমূল্যের পোশাক বাজারজাতকরণে। আর তারই প্রমাণ দেয় বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের তথ্য-উপাত্ত।
শার্ট, টি-শার্ট, ট্রাউজার, জ্যাকেট ও সোয়েটার থেকে আসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের মোট রপ্তানির ৬১ ভাগ। এই পাঁচটি পণ্য থেকেই আসে পোশাক খাতের রপ্তানি আয়ের ৭০ ভাগের বেশি।
বাজার প্রতিকূলতায় হারিয়ে যাচ্ছেন অনেক উদ্যোক্তা। এজন্য একদিকে যেমন নিজেদের সীমাবদ্ধতাকে দায়ী করছেন তারা, তেমনি দায়ী করছেন দাম কমাতে ক্রেতাদের অনৈতিক দর কষাকষিকে।
বাজার প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে, বাড়াতে হবে দেশেই উন্নতমানের কাপড় উৎপাদনের পরিমাণ। এজন্য বিনিয়োগ সহযোগী হিসেবে উদ্যোক্তারা চান কম সুদের ব্যাংকঋণ। আনন্দবাজার/এফআইবি








