১৭ লাখ ৩৯ হাজার ৪৯৫ টন খাদ্যশস্য মজুদ আছে সরকারি গুদামে। ফলে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ী কিংবা মিলাররা চালের দাম বাড়িয়ে দিলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।গতকাল সচিবালয়ে বাজার মনিটরিং নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
ধান-চালের মজুদ বেসরকারি পর্যায়ে বেশি থাকে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের চেয়ে বেসরকারি খাতে মজুদের পরিমাণ ৮-১০ গুণ বেশি। প্রকৃত ব্যবসায়ী ও মিলারদের উচিত মানবতার প্রশ্নে আল্লাহকে হাজির-নাজির রেখে মানুষকে আরো সেবা দেয়া। সেখানে কেউ যদি এমন পরিস্থিতিকে পুঁজি করে বাড়তি সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে কিংবা রোজা সামনে রেখে অসাধু ব্যবসার সুযোগ নিতে চায়, সেটি প্রতিরোধে সচেষ্ট রয়েছি আমরা। উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। ব্যবসায়ী বা মিলাররা যদি পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ব্যবসার চেষ্টা চালায়, তবে কোনোক্রমেই ছাড় দেয়া যাবে না। কেউ যদি মজুদ রেখে কষ্টে ফেলার চেষ্টা করে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ব্যবসায়ীদের এ বিষয়ে চিঠি দেয়া হবে। প্রয়োজনে চাল আমদানি করে বাজার পরিস্থিতি ঠিক রাখা হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো ধরনের চালের ঘাটতি নেই। তাই অযথা এক মাসের জায়গায় তিন মাসের জন্য চাল কেনার কোনো প্রয়োজন নেই, এটা আমরা নির্দ্বিধায় বলছি। এ সুযোগে করোনাকে পুঁঁজি করে বাজারে এমন কথা ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা নেব। বাজারে ২৫টি মনিটরিং টিম আছে। প্রয়োজনে এ সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি গুদামে বর্তমানে সোয়া ১৪ লাখ টন চাল মজুদ আছে। সুতরাং চাল-গম নিয়ে ভোক্তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ওএমএসের চাল বিতরণের জন্য এরই মধ্যে ডিলারদের চিঠি দেয়া হয়েছে। আটা বিক্রি চলছে এবং চলবে, এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
আনন্দবাজার/ টি এস পি









