করোনাভাইরাসের প্রকোপে থমকে আছে পৃথিবী। সেইসাথে স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। তারমধ্যে বাংলাদেশে বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অংক। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আমদানি ব্যয় কমে আসায় রিজার্ভে স্বস্তি ফিরেছে। ৩৩ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, আমদানি-রফতানির বড় দুটো খাত একেবারে স্থবির। সেবা খাত বিশেষ করে বিদেশে লেখাপড়া ও ভ্রমণ এখন বন্ধ। এছাড়া করোনার প্রবল আঘাতে পশ্চিমের প্রায় সব দেশে আমদানি-রফতানি পুরোপরি থেমে আছে। করোনা ও তেলের সর্বনিন্ম দামের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি ধ্বংসের পথে। করোনার করালগ্রাসে বিশ্বের অর্থনীতি নিমজ্জিত। এসব কারণে দেশে রিজার্ভ জমছে। তবে আমদানির দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে রিজার্ভে বড় ধাক্কা আসতে পারে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
এ প্রসঙ্গে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শফিকুর রহমান বলেন, করোনোত্তর পৃথিবীতে ব্যাপক ক্ষুধা এবং চাহিদার সৃষ্টি হবে। এজন্য এখন থেকে সেই প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রয়োজনে কম দামে তেল কিনে রাখা যায় কিনা সেটা নিয়েও ভাবা উচিত। সব মিলিয়ে সুচিন্তিত পরিকল্পনার মাধ্যমে বর্তমান রিজার্ভ নিয়ে ভাবতে হবে।
জানা যায়, সম্পতি বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও জাইকা থেকে বেশ কিছু ঋণ এসেছে। এছাড়া জাতিসংঘ থেকেও অনুদান পাওয়া গেছে। এতে ডলার বিক্রির মধ্যেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৩ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে প্রথমবারের মতো ২০১৭ সালের ২২ জুন দেশের রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছিল।
আনন্দবাজার/ টি এস পি









