রমজান কেন্দ্রিক বিক্রির পর কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। রমজান মাসকে সামনে রেখে ৪০ টাকার পেঁয়াজ ৬৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। তবে গত দুই দিনে কেজিতে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে পেঁয়াজের দাম। বাজারে চাহিদা কমায় পেঁয়াজের দাম কমেছে বলে জানান খুচরা ব্যবসায়ীরা।
খুচরা ব্যাবসায়ীরা জানান, রোজা সামনে রেখে গত সপ্তাহে পেঁয়াজের চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এ কারণে দামও বেড়ে যায়। ৪০ টাকার পেঁয়াজের কেজি ৬৫ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। তবে চাহিদা কমায় এখন আবার পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজের কেজি ৪৫ টাকা পর্যন্ত নেমেছে।
জানা যায়, ব্যবসায়ীরা এখন দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা কেজি। যা রমজানের শুরুতে ছিল ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা।
এর আগে করোনাভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। ৪০ টাকার পেঁয়াজ উঠে যায় ৮০ টাকায়। এই পরিস্থিতিতে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিদফতর ও র্যাব অভিযান শুরু করে পেঁয়াজের বাজারে। ফলে দাম কমে ৩০ টাকায় নেমে আসে পেঁয়াজ।
তবে রমজান মাসকে কেন্দ্র করে আবারও বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। রমজান কেন্দ্রিক বিক্রি শেষ হতেই আবার দাম কমতে শুরু করেছে এই নিত্যপণ্যের।
খুচরা পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর বলেন, পেঁয়াজের হুটহাট দাম বাড়া-কমার কারণে আমরাও বিপদে পড়ে যাই। রোজার আগে ৫৫ টাকা কেজি কেনা আমার এক বস্তা পেঁয়াজ রয়েছে। এই পেঁয়াজ এখন ৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। আর নতুন আনা পেঁয়াজ ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি করছি।
তিনি আরও বলেন, পেঁয়াজের দাম বাড়া-কমা নির্ভর করে পাইকারদের ওপর। শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ালে খুচরাতেও দাম বেড়ে যায়। আবার ওরা দাম কমালে আমাদেরও কম দামে বিক্রি করতে হয়।
আনন্দবাজার/ টি এস পি









