- পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে । দিল্লির চার জায়গায় জারি করা হয়েছে কারফিউ।
- 'শ্যুট অ্যাট সাইট' (দেখা মাত্র গুলি)-এর অর্ডার।
- নতুন স্পেশাল কমিশনার নিয়োগ।
ট্রাম্পের ভারত সফরের মধ্যেই রক্তে লাল হলো দিল্লির রাজপথ। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া গুলিবিদ্ধ ও আহত হয়েছেন শতাধিক ব্যক্তি।
সোমবারের পর মঙ্গলবারও দিল্লির বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এক সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ সহ আহত হয়েছেন আরও চার সাংবাদিক। তাছাড়া অনেক সাংবাদিকের কাছে ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে হেনস্তা করেছেন বিজেপির নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার রাতে জাফরাবাদ, মৌজপুর, চাঁদবাগ, কারওয়াল নগরে ১৪৪ ধারা জারি করে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ প্রশসন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একাধিক বার সেনা মোতায়েনের দাবি উঠেছিল। তবে দিল্লি প্রশাসন জানিয়েছে, যথেষ্ট সিআরপি নামানো হয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ।
এইদিকে পরিস্থিতি সামলাতে গোটা উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে আগামী এক মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে পুলিশ। তাছাড়া দিল্লি-সংলগ্ন উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদেও ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। শক্ত নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয়েছে গাজিয়াবাদ-দিল্লির সীমানায় যাতায়াতের উপরেও। আন্দোলনে টানা দু’দিন উত্তর-পূর্ব দিল্লির পাঁচটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রয়েছে। সংঘর্ষের ছবি না-দেখানোর জন্য বেসরকারি চ্যানেলগুলোকে চাপ প্রয়োগ করছে প্রশাসন।
কিন্তু এখন পর্যন্ত আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি সরকার। সংঘর্ষ পাথর-যুদ্ধ, গুলি, ভিড় জমিয়ে মারধর, অসংখ্য বাড়ি-দোকানে আগুন লাগানো, লুঠতরাজ- কিছুই থেমে থাকছেনা। উত্তর-পূর্ব দিল্লির আকাশে সারা দিনই কালো ধোঁয়া ছেয়ে ছিল। আগুন নেভাতে দমকল কর্মীরাই হিমশিম খাচ্ছে প্রতি নিয়ত।
আনন্দবাজার/শহক







