ভোক্তা অধিকার ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর যুক্তি-অনুরোধ মেনে নেওয়া হয়নি । গ্রহণ করা হলো না বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দাবিও। করোনা ভাইরাসের ভীতিকর আবির্ভাবের পর বাণিজ্য মন্দা এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দর পতনের কারণেই দেশে সব পর্যায়ে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্য বেড়ে গেল। এর ফলে গ্রাহকদের পকেট থেকে বছরে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত খসবে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গত বৃহস্পতিবার(২৭ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণা করে। পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট (কিলোওয়াট) বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৪০ পয়সা এবং খুচরা ৩৬ পয়সা বাড়ানোর আদেশ করা হয়েছে। আগামী ১ মার্চ থেকে এ মূল্যহার কার্যকর করা হবে। অর্থাৎ প্রিপেইড গ্রাহকরা ওই দিন থেকেই এবং পোস্টপেইড গ্রাহকরা এপ্রিল থেকে বর্ধিত দামে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবেন।
অর্থনীতিবিদ এবং খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দামবৃদ্ধির ফলে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ চাপে পড়বে।
এদিকে বিইআরসি বলছে, দেশের বাজার পরিস্থিতি এবং গ্রাহকদের সক্ষমতা বিবেচনা করেই দাম বাড়ানো হয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষের উপর যেন চাপ না পরে সেদিকেও নজর রাখা হয়েছে।
আনন্দবাজার/তাঅ









