প্রবল শক্তি নিয়ে উপকূলের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে সুপার সাইক্লোন আম্পান। যার ফলে সমুদ্র উত্তাল অবস্থায় রয়েছে। ৭-৮ ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়ছে সমুদ্র সৈকতে। আবহাওয়া অধিদপ্তর এরই মধ্যে মোংলা এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে। অন্য দিকে চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে আগের ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
এদিকে মোংলার পশুর নদীর পাড় থেকে আনন্দবাজারের প্রতিবেদক জানিয়েছেন, সময় যতো গড়াচ্ছে ততোই বাতাসের গতি বাড়ছে। নদীতে ক্রমেয় বাড়ছে জোয়ারের পানি এবং উত্তাল অবস্থা বিরাজ করছে। এদিকে সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত এবং দমকা হাওয়া লক্ষ্য করা গেছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে মোংলা উপজেলাতে ১২ হাজার মানুষ সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে সকালের দিকে অধিকাংশ সাইক্লোন সেন্টার ফাঁকা দেখা গেছে। মানুষ যত্রতত্র ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অনেকেই আবার সাইক্লোন সেন্টার ছেড়ে মালামাল দেখতে নিজেদের বাড়িতে গেছেন বলেও জানা গেছে।
এদিকে চট্টগ্রাম থেকে আনন্দবাজারের প্রতিবেদক জানান, আম্পানের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকায়। সকাল থেকে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি পড়ছে। সাগর উত্তাল। বঙ্গোপসাগর থেকে ৭-৮ ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়ছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। নাগরিকদের উপকূলীয় এলাকাগুলো থেকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ভোলা থেকে আনন্দবাজারের প্রতিবেদক জানান, সকাল থেকে মেঘনাপাড়ের এলাকাগুলোতে দমকা হাওয়া বইছে। একই সাথে নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে।কন্ট্রোলরুম জানিয়েছে, দুই লক্ষাধিক মানুষ গত রাতে আশ্রয়কেন্দ্রে ছিল।
আনন্দবাজার/শহক








