যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সময় নিজের খরচ বহনের মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা না থাকলে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বাতিল হতে পারে। এমনকি এসব কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে স্থায়ী অযোগ্যতার কারণও হতে পারে।
শনিবার (১৪ মার্চ) দূতাবাস থেকে প্রকাশিত ভ্রমণসংক্রান্ত এক বিশেষ নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনও বিদেশি দর্শনার্থী যদি যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে পরিচালিত জনকল্যাণমূলক সুবিধার অপব্যবহার করেন বা সেগুলোর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষার্থী, সাংবাদিকতা কিংবা ট্রানজিট সব ধরনের নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারীদের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম কঠোরভাবে প্রযোজ্য হবে।
দূতাবাসের বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সময় নিজের খরচ নিজে বহন করার মতো সক্ষমতা আছে কিনা, তা আগেভাগেই নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থায় যারা করদাতাদের অর্থে পরিচালিত চিকিৎসা বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করবেন, তাদের ভিসা তাৎক্ষণিক বাতিল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের আবেদন করার সময়ই আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ দিতে হয়। কিন্তু অনেক সময় দর্শনার্থীরা সেখানে গিয়ে স্থানীয় সরকারি সুবিধা বা বিনামূল্যে পাওয়া যায় এমন সেবার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। এই ধরনের অনিয়ম রোধে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে ওয়াশিংটন।









