বাংলাদেশে ঢুকছে ভারতের আগরতলার নর্দমার দূষিত পানি। ফলে ব্যাপক স্বাস্থ্য-ঝুঁকিতে আছে আখাউড়া উপজেলার ১৫টি গ্রামের মানুষ। এতে যেমন দূষিত হচ্ছে পরিবেশ তেমনি দেখা দিচ্ছে বিভিন্ন ধরনের রোগবালাই। সেই সাথে নষ্ট হচ্ছে ১৫শ’ হেক্টর ধানের জমির উর্বরা শক্তিও।
বহুবার তাগাদা দেওয়ার পরও কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি ত্রিপুরা সরকার। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দ্রুত দূষণ প্রতিরোধের দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবত কালন্দি খালের মাধ্যমে, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে দূষিত পানি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া দিয়ে দেশে ঢুকছে। প্রায় ১৫ ফুট প্রশস্ত এই খালের পানিতে বিষাক্ত কেমিকেল, সোয়ারেজ বর্জ্য, পলিথিন ও বিভিন্ন খাবার-জাত প্যাকেট, পরিত্যক্ত প্লাস্টিক ও কাঁচের বোতল এবং অন্যান্য পচনশীল দ্রব্যের অস্তিত্বও পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানান, আগরতলায় যত বাসা-বাড়ি আছে তাদের টয়লেটের বর্জ্যসহ অন্যান্য সকল বর্জ্য এই নদীতে ফেলে। এটা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে প্রচুর পরিমাণে বংশবিস্তার করছে মশা। তাই নদীর পানিটা যদি শুধন করে দেয় তা হলে আমাদের জন্য খুব ভালো হয়।
এই ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান জানান, আগামি ১ বছরের মধ্যে বিষাক্ত এ পানি বাংলাদেশে প্রবেশের আগে পরিশোধন করতে ইটিপি স্থাপনের আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কিছুই করেনি ত্রিপুরা রাজ্য সরকার।
দূষিত এই পানির কারণে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। এলাকায় পশু পাখির বিচরণও দিন দিন কমে যাচ্ছে। তাই আখাউড়া বাসি দ্রুত এই সমস্যা থেকে মুক্তি চান।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে









