নীলফামারীর বিভিন্ন সড়কের বাঁকে ও ব্রিজের দুই পাশে মিনি পিলারে লাগানো বিপুল সংখ্যক রিফ্লেকটিং সীট রাতের আধারে উধাও হয়ে যাচ্ছে। সড়কে দুর্ঘটনারোধে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এ সীটগুলো লাগালেও প্রয়োজনীয় তদারকির অভাবে তা খোয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নীলফামারী-জলঢাকা সড়কে চারালকাটা নদীর উপর ব্রিজের দু’পাশেসহ বিভিন্ন বাঁকে, রংপুর-দিনাজপুর সড়কের চিকলী থেকে শুঁটকির মোড় পর্যন্ত বিভিন্ন বাঁকে ও ব্রিজের দুই পাশে মিনি পিলারে লাগানো রিফ্লেকটিং সীটগুলো প্রতিনিয়ত খোয়া যাচ্ছে।
নীলফামারী সদর উপজেলার দুহুলী এলাকার শরিফ হোসেন বলেন, মিনি পিলারে রিফ্লেকটিং সীট না থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে রাতের বেলা এর গুরুত্ব অনেক বেশী। এ সীট দুর্ঘটনারোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
সৈয়দপুরের চিকলি এলাকার ময়েন উদ্দীন বলেন, অটোরিকশা, ব্যাটারি চালিত রিকশা, সিএনজি অটোবাইক ও ট্রাক্টরের পিছনে খোয়া যাওয়া রিফ্লেকটিং সিটগুলো ব্যবহার করতে দেখা গেছে। একটি চক্র মিনি পিলারের গায়ে লাগানো সীটগুলো খুলে যানবাহনের চালকদের কাছে বিক্রি করছে। রাতে সড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহন দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে এসব ব্যবহার করছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থ বছরে রিফ্লেকটিং সীটগুলো মিনি পিলারে লাগানো হয়। প্রতিনিয়ত সীটগুলো খোয়া যাওয়া ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১৩ লাখ টাকা।









