অবশেষে র্যাপিড টেস্টিং অ্যান্টিবডি কিট ব্যবহার করার নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে সরকারের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এখন শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেলে এ কিট ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
তবে এই কিট করোনা ভাইরাস শনাক্তের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। মূলকথা হচ্ছে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কি না, তা নির্ণয়ের জন্যই এই কিট ব্যবহার করা হবে।
কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে ওষুধ, ইনভেস্টিগেশনাল ড্রাগ, ভ্যাকসিন এবং মেডিকেল ডিভাইস মূল্যায়নের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ১৪ সদস্যের একটি কমিটি করেছিল। গত ৪ জুন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিনকে এই কমিটির সদস্যসচিব করা। ২১ ও ২৩ জুন দুই দফা বৈঠক করে এই কমিটি র্যাপিড টেস্টিং অ্যান্টিবডি কিট ব্যবহার করার নীতিমালা চূড়ান্ত করে।
মো. সালাউদ্দিন জানান, সার্ভেইলেন্সের জন্য আমরা এই কিট ব্যবহারের নীতিমালা করেছি। কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ্য হলে তার রক্তে ইমিউনিটি তৈরি হয়েছে কি না তা অ্যান্টিবডি পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যাবে। আর অ্যান্টিবডি থাকলে তিনি প্লাজমা দিতে পারবেন। এছাড়া এই পরীক্ষার মাধ্যমে সম্ভাব্য প্লাজমাদাতাদের চিহ্নিত করা সহজ হবে।
তিনি বলেন, এর আগে গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালস একটি র্যাপিড টেস্টিং কিট তৈরি করলেও তা ‘মানোত্তীর্ণ’ হয়নি বলে অনুমতি দেওয়া হয় নি। আরও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই কিট আমদানির জন্য অনুমতি চেয়েছে। এ অবস্থায় কী কী শর্ত পূরণ করতে পারলে অ্যান্টিবডি কিট অনুমোদন দেওয়া যাবে সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটি বৈঠক করে একটা নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে।
আনন্দবাজার/এম.কে









