লক্ষ্মীপুরে খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে হায়দার শপিং কমপ্লেক্সের মালিক বেল্লাল মিয়ার বিরুদ্ধে। পৌর এলাকার তৃপ্তি রোড সংযোগ সড়ক হায়দার শপিং কমপ্লেক্সের ৮তলা ভবনের ভাঙন ঠেকাতে রহমতখালী খাল পাড় ভরাট করে তৈরি করেছেন গাইড ওয়াল। এতে করে স্থানীয়দের মাঝে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ। স্থানীয়রা বলছেন, রহমতখালী খালে কারণে কৃষক এখনো বেঁচে আছে, খালটি ভরাট হয়ে গেলে কৃষক বাঁচবে না। সময় থাকতে খালটি উদ্ধার এবং খনন করে পানি চলাচলের ব্যবস্থা করতে প্রশাসনের হস্তেক্ষেপ কামনা করছি।
পথচারী বেলায়েত হোসেন, হারুন, ফরহাদ হোসেন ও জাকির বলেন- রহমতখালী খাল দিয়ে একসময় বড় বড় নৌকা, ট্রলার ও লঞ্চ চলাচল করতো। সবধরণের কাঁচামাল, ধান, পাথর ও বালু আনা-নেয়া হতো। তখন খালের দৈর্ঘ্য ছিল ১০০ মিটার, যার প্রস্থ ছিলো ৮০ মিটার। দখলদারদের কারণে খালের প্রস্থ এখন ৩০-৪০ ফুট। বর্তমানে এই রহমতখালী খাল রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ভরাট করে বহুতল ভবন নির্মাণ করে চলছে। পুরো খালটিই এখন ভূমিদস্যুদের দখলে।
সরজমিনে দেখা যায়, খালের মধ্যে বাজারের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। খালের পাশে অবৈধ বসতি উঠছে। এখানে সড়ক ও জনপথ প্রকৌশল অধিদফতরও একটি সেতু নির্মাণ করেছে, যে কারণে খাল সঙ্কুচিত হয়ে পড়ছে।
খাল দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে হায়দার শপিং কমপ্লেক্সের মালিক বেল্লাল মিয়া বলেন, ভবন নির্মাণের বালু-মাটি, ময়লা-আর্বজনা ফেলার জায়গা নেই। পরে শ্রমিকরা খালের জমি ভরাট করেছেন। আমি পরিষ্কার করে দিবো।
এ বিষয়ে পাউবোর লক্ষ্মীপুর কার্যালয়ের উপ-প্রকৌশলী এইচ এম জাহাঙ্গীর বলেন, খালটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নয়। এটি জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ বিষয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই। বিষয়টি জানতে জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোসাইন আকন্দকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।









