অন্যতম অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশের মাধ্যমে বাংলাদেশি রফতানিকারক এবং চীনা ভোক্তা উভয়ই উপকৃত হবে। গতকাল বুধবার ঢাকায় এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।
তিনি বলেন, এশিয়া ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মতো সংস্থার মধ্যে অংশীদারিত্ব তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে আর্থিক যোগাযোগ ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, চীনে ১৪০ কোটি জনসংখ্যার বাজারে বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশের ফলে বাজার আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে। বাংলাদেশের রফতানিকারক ও চীনা ভোক্তা উভয়ই এতে উপকৃত হবেন এবং দু'দেশের বাণিজ্যিক সংযোগ বাড়াতে সহায়তা করবে।
জানা যায়, চীনের বাজারে শুল্কমুক্ত পণ্যের তালিকায় বিদ্যমান ৩০৯৫টি পণ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের আরও ৫১৬১টি পণ্য যুক্ত করায় ফলে রফতানি করা পণ্যের ৯৭ শতাংশ এ সুবিধা পাবে। সুবিধাটি আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, আমাদের অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসাবে এবং বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যেকার চিঠি আদান প্রদানের সাফল্য দেখতে পেয়ে আমরা আনন্দিত।
আনন্দবাজার/টি এস পি









