- নিম্ন-মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে অনেক নিত্যপণ্য
মানিকগঞ্জে পছন্দের পোশাক কিনতে দোকানে দোকানে ছুটছেন বিভিন্ন শ্রেণির ক্রেতারা। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ পছন্দ হলেই দাম বেশি রাখছেন বিক্রেতারা। তবে বিক্রেতারা বলছেন- এবার বেচাকেনা ভালো। তবে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে দামও বেশি।
থ্রি পিস, কামিজ, পাঞ্জাবি ,ফতুয়া জিন্সসহ শিশুদের নানান বৈচিত্রের পোশাকে জমজমাট মানিকগঞ্জের বিপণিবিতানগুলো। তবে শাড়ির দোকানগুলোতে তুলনামূলকভাবে ক্রেতাদের সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ কোনরকম ঈদ উপলক্ষে কিছু কিনতে পারলেও নিম্নআয়ের মানুষ অনেকেই দাম বেশি হওয়ার কারণে কিছু কিনতে পারছে না ।
নিম্নআয়ের জাহাঙ্গীর নামক রিকশাচালক বলেন, জিনিসের যে দাম খাওয়া-দাওয়া করা কষ্ট আবার মার্কেট করুম কেমনে?
অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া গৃহহীনদের ঘর পেয়ে খুশি ঘিওর উপজেলার হাসনা বানু। তিনি বলেন, আমাদের কিছুই ছিল না। কতকাইল যে ঈদে কিছু কিনি নাই তা ঠিক নাই। তয় সরকার আমারে ঘর দিয়ে অনেক বড় উপকার করছে।
নিম্ন আয়ের পাশাপাশি মধ্যম আয়ের কিছু মানুষ এখনও ঈদের নতুন পোশাক কিনতে পারেননি। তার কারণ জানতে চাইলে সংসারের অতিরিক্ত খরচ বেতন বৃদ্ধি না হওয়া এমনটাই জানান মধ্যম আয়ের চাকরিজীবী মিজানুর রহমান।
তবে মধ্যম আয়ের বেশিরভাগ পুরুষ চাকরিজীবীর কাছ থেকে হতাশার গল্প শুনতে দেখা গেলেও। শাড়ির দোকান ও নারীদের পণ্য সামগ্রী কেনার দোকানে দেখা গিয়েছে মাধ্যম আয়ের নারীদের উপচে পড়া ভিড় ।
এদিকে ঈদকে সামনে রেখে নতুন পোশাকের পাশাপাশি মুখরোচক খাবার খাওয়ার জন্য বাজার করতে ব্যস্ত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ । তবে গতবারের তুলনায় দাম বেশি হওয়ায় এবার বাজারে কিছুটা কম করতে হচ্ছে মধ্যম ও নিম্নআয়ের মানুষদের।
বাজার করতে আসা শেফালী বেগম বলেন, আমার হাজব্যান্ড বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করে বাজার আমার করতে হয়। তবে সংসারে হিসাব মিলাতে কষ্ট হয় এখন তার কারণ তেলের দাম। বেতন বৃদ্ধি করলেও একটা কথা ছিল ভোজ্যতেলের এরকম দামের কারণে অনেক দিকেই এখন টানাপোড়ন লেগে গেছে।









