প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়। তার কারণ ছিল বাংলাদেশে আটকা পড়া ৯৬ হাজার পাকিস্তানীকে ফিরিয়ে নেয়া।
গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার জন্য একটি জাতি সৃষ্টি করে তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে যুদ্ধের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্র উপহার দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। অল্প দিনের মাধ্যমে একটি সংবিধান দিয়েছেন। সেখানে রাষ্ট্রের সমস্ত ক্ষমতা দিয়েছেন জনগণকে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলতে দিনরাত কাজ করেছেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভিত গড়ে তুলেছেন। এসব কাজের মধ্যেও এক শ্রেণির মানুষ তার সমালোচনা করতে ছাড়েনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে জিয়াউর রহমান ক্ষমতা গ্রহণ করে সেনাবাহিনীর আইন ভঙ্গ করেছেন। হ্যাঁ/না ভোট দিয়ে গণতন্ত্র নিয়ে ছেলেখেলা খেলেছে। ঋণখেলাপি শুরু করেছে জিয়া। সে এলিট শ্রেণি তৈরি করতে এ কাজ শুরু করে।
তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ১৩ কোটি মানুষ টিকা পেয়েছে। বাকিদের টিকা নিতে আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ আমাদের টিকার অভাবে নেই। আমরা বিনামূল্যে টিকার ব্যবস্থা করেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহল বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল বললেও দেশের কেউ কেউ ঘেউ ঘেউ করছে। তারা ঘেউ ঘেউ করতে থাকুক। আমরা উন্নয়নমূলক কাজ করে যাবো। তারা কোন উন্নয়ন দেখে না। শুধুই সমালোচনা করে থাকে।
তিনি বলেন, জিয়া, খালেদা ও এরশাদের আমলে বিদেশ থেকে পুরান কাপড় এনে দেশের মানুষকে পড়ানো হতো। সেই অবস্থা এখন নেই। বরং আমরা বিদেশে কাপড় পাঠাই। দুর্নীতিবাজদের স্থান বাংলার মাটিতে হবে না। এদেরকে উৎখাত করা হবে। মানুষের ভাগ্য নিয়ে তাদেরকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না।
আনন্দবাজার/শহক









