কুড়িগ্রামের উলিপুরে উপজেলার গুনাইগাছের মোড় থেকে পৌর পিলার এবং আম-জামের তল থেকে থেতরাই বাজার পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার না করায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা। রাস্তাটি যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ এ সকল দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে রাস্তা সংস্কার ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধের প্রতিকার চায়।
উলিপুর উপজেলার থেতরাই রোড দিয়ে পৌরসভার জনগণ সহ আরও দুটি ইউনিয়ন অর্থাৎ গুনাইগাছ ও থেতরাই ইউনিয়নের অসংখ্য লোক পায়ে হেঁটে, সাইকেলে, মোটরসাইকেলে, অটোরিক্সায়, লেগুনাসহ বিভিন্ন ধরণের যানে চলাচল করে। ইউনিয়ন দুটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ। রোড দিয়ে দিনে ও রাতে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ অটোরিক্সা, মিশুক, রিক্সা, ভটভটি, মালবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যান চলাচল করে। ফলে রাস্তার দুই ধার ব্যাপকভাবে পাইলিং হয়েছে। আবার কোথাও কোথাও রাস্তা ভেঙে চৌচির হয়ে গেছে। রাস্তার যে বেহাল অবস্থা যার কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কেউবা হাত পা হারিয়ে ফেলছে, কেউ পঙ্গু হচ্ছে, কেউ গুরুতর অসুস্থ হচ্ছে, কেউবা মৃত্যুর লাশ হয়ে বাড়ি ফিরছে। এ যেন দেখার কেউ নেই। এসকল দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে এলাকাবাসী প্রতিকার চায়। এলাকাবাসীর দাবী রাস্তা সংস্কার করে দিতে হবে এবং প্রশিক্ষণবিহীন অটোরিক্সা চলাচল বন্ধ করে হবে।
রাস্তার বেহাল অবস্থার জায়গাগুলোর মধ্যে উলিপুর থেকে থেতরাই আসতে মাঝিপাড়া, বিবিসির মোড়, সরকার বাড়ির সামন, ভুতের বাজার, দুই ইট ভাটার মাঝে, হারুনেফড়া ছরোয়ালের বাড়ির সামনে, হারুনেফড়া সরকারি প্রার্থমিক বিদ্যালয়ের সামনে, ফাঁসিদাহ বাজার, শশ্মানের সামনে, নয়ঘরিয়ায়, থেতরাই বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে, মিঠাআমের তল, পাতারি মসজিদের সামনে সহ আরও অনেক জায়গা। এ সকল জায়গায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। কখনো অটোরিকশা উল্টে পড়ে যাত্রীরা আহত হচ্ছে, কখনো অটোরিক্সার সঙ্গে মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, আগষ্ট মাসের ২৫ তারিখে টেন্ডার উপেন করা হবে। অক্টবর অথবা নভেম্বরের মধ্যে করিম মিয়ার মোড় পৌর পিলার আম-জামের তল থেকে থেতরাই বাজার পর্যন্ত রাস্তার পাইলিং সহ সংস্কার করা হবে। তিনি বলেন তখন রাস্তার কোন সমস্যা থাকবেনা।









