বাজেটে তামাক ও মাদকদ্রব্যের ওপর যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তাতে মাদককে উৎসাহিত করা হয়েছে। যে তোমরা খাবার কম খাও কিন্তু নেশা কর! ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন আয়োজিত ওয়েবিনারে কাজী ফিরোজ রশিদ এ কথা বলেন। গতকাল রবিবার, বিকেল ৩ টায়, ‘বাজেটে তামাক কর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক একটি ওয়েবিনারের আয়োজন করা হয়।
জাতীয় সংসদের সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, খাবার কম খাও কিন্তু নেশা কর এই নীতি গ্রহণ করেছে এনবিআর। ভয়ংকর অবস্থা দাঁড়িয়ে গেছে ধূমপান। শিক্ষিত মেয়েরাও ধূমপান করছে। তামাক ও মাদকদ্রব্য বিক্রিতে লাইসেন্স প্রথা চালু করা দরকার। তিনি বলেন, সরকার স্বাস্থ্যসেবাখাতে ভালো করতে চেষ্টা করছে। অথচ পাশাপাশি তামাকজাত পণ্যের ওপর বেশি করারোপ করেনি। এ কারণে তামাকের ব্যবহার বাড়ছে। এই দিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি শারমীন রিনভী বলেন, করোনায় দেখেছি স্বাস্থ্যসেবা আমাদের দেশের কি অবস্থা। সরকার মুখে বলছে এক বাজেট ভিন্ন। তামাকের দাম বাড়িয়েছে এক টাকা। বাড়ালে বেশি করে বাড়ান। বেশি দাম থাকলে মানুষ কম কিনবে। রাজস্ব বাড়াতে চাইলে কর বাড়ান মাদকে। দাম ও কর দুটিই বাড়াতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. রুমানা হক বলেন, জর্দা-গুলকে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিবেচনা করছে না এনবিআর। এসব খাতে কর আরোপ করা হয়নি। এতে মাদকের বিস্তার বাড়বে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে সকল প্রকার তামাকজাত দ্রব্যের উপর আরোপিত কর ও মূল্যবৃদ্ধি হতাশাব্যঞ্জক। বিশেষ করে কর হার অপরিবর্তিত রেখে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বেড়েছে মাত্র ১ টাকা ও মধ্যমস্তরে মাত্র ২ টাকা। এহেন করারোপ ও মূল্যবৃদ্ধি তামাকপণ্যকে আরো সহজলভ্য করে তুলছে।









