সারা দেশের ন্যায় নীলফামারী জেলার চিলাহাটি রেলস্টেশনেও চলছে টিকিট কালোবাজারী। অথচ এ নিয়ে প্রশাসনের কোনো ভূমিকা নেই বলে গুরুত্বর অভিযোগ করছেন যাত্রীরা। জানা গেছে উত্তরের সর্বশেষ রেলওয়ে স্টেশন হিসেবে পরিচিতি চিলাহাটি। এ স্টেশনে চিলাহাটি থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর নিলসাগর ট্রেন চলাচল করে।
ট্রেন ধরতে আসা যাত্রীদের সবচেয়ে বড় বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় টিকিট কাটতে এসে। অনেক দুর দূরান্ত থেকে মানুষজন টিকিট পায় না টিকিট কালোবাজারিদের কারণে। প্রতিদিন সকাল ৮টা সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ৩৪ জন ব্যক্তিকে নরমাল, ৭ জন ব্যক্তিকে এসির টিকিট প্রদান করে চিলাহাটি রেলওয়ে বুকিং সহকারী। বুকিং সহকারী জানান, আমরা লাইনে দাঁড়ানোর ব্যক্তিকে জানালার ভিতর দিয়ে হাত প্রদানের মাধ্যমে আন্তঃনগর নীলসাগর ট্রেনের টিকিট দিয়ে থাকি, আর একই ব্যক্তি যদি প্রতিদিন আসে সেটা দেখার দায়িত্ব আমাদের নয় কারণ আমরা জানালা খুলিনা। আর অ্যাপসের মাধ্যমে ৩৪টি নরমাল এবং ৭টি এসির টিকিট সবার জন্য উন্মুক্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান- আমি ঢাকার একটি টিকিট কাটার জন্য টুনিরহাট থেকে চিলাহাটি স্টেশনে সকাল ৬টার সময় আসি, লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম কিন্তু শেষমেশ আমি কোনো টিকিট না পেয়ে নিরাশ হয়ে ফিরে যাই। টিকিট কালো বাজারে প্রতিদিন লাইনে দাঁড়িয়ে অথবা তাদের মনোনীত ব্যক্তিদের লাইনে দাঁড়িয়ে দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করে আর ৪৯৫ টাকার টিকিট প্রায় ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি করে। স্থানীয় সুধীমহল জানান- সারা দেশের বিভিন্ন স্টেশনে টিকিট কালোবাজারি রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত কিংবা প্রশাসনের নজর আছে কিন্তু চিলাহাটি রেলস্টেশনে আজ অব্দি এরকম কোনো পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। তারা মনে করে প্রশাসন দুই একজন কালোবাজারীকে ধরলে অনেকটা কালোবাজার কমে যাবে চিলাহাটি রেল স্টেশনে।









