নরসিংদীর যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামিমা নূর পাপিয়াকে গ্রেফতারের পরই বেরিয়ে আসতে শুরু করে তার অন্ধকার জগৎ। অল্প সময়ের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় তার কলঙ্কময় অধ্যায়ের কাহিনী। ২৪ ফেব্রুয়ারি হোটেল ওয়েস্টিনের প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট এবং ফার্মগেটের ২৮ নম্বর ইন্দিরা রোডের রওশনস ডমিনো রিলিভো নামের বিলাসবহুল ভবনে তাদের দু’টি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ, আগ্নেয়াস্ত্র, বিদেশী মদসহ আরও অনেক অবৈধ সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, পাপিয়া রাশিয়ান তরুণীদের ‘ফাঁদে ফেলে’ ভিআইপিদের কাছ থেকে মোটা দাগের অর্থ হাতিয়ে নিতেন। পাপিয়ার মুখ থেকে ঘনিষ্ঠ এসব ভিআইপিদের নাম শুনে বিব্রত পুলিশ কর্মকর্তারা।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করে ভিআইপিদের ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ডের’ ভিডিওচিত্র করে রাখতেন পাপিয়া দম্পতি। পরে ওইসব ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতেন মোটা অঙ্কের অর্থ। তদন্ত কর্মকর্তারা আরও জানান, এসব কাজে পাপিয়াকে সহায়তা করতেন তার স্বামী সুমন চৌধুরী।
র্যাব-১ অধিনায়ক শাফী উল্লাহ বুলবুল জানান, ‘পাপিয়া গ্রুপের অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে আগ্রহী আমরা। কারণ তিনি এখনো আমাদের অনেক প্রশ্নের উত্তর দেননি। পাপিয়া বড় মাপের মাফিয়া। তাকে যারা সহায়তা করেছে তাদের নাম উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। আশা করি খুব দ্রুতই তাদের নাম পেয়ে যাব।’
আনন্দবাজার/শাহী









