পিঠা বাংলাদেশের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। হাজার বছর আগ থেকেই কৃষকের ঘরে হেমন্তের ফসল উঠলে তৈরিহত পিঠা। এ ধারাবাহিকতা চলতো শীতকাল পর্যন্ত। একসময় বাঙ্গালীর যে কোনো উৎসব আনন্দে মিশে থাকতো রকমারি পিঠা। তবে আজ তা অনেকটাই বিলুপ্তির পথে। তরুণ প্রজন্মের কাছে এ সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে হবিগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপি ‘পিঠা উৎসব’। গত শনিবার রাতে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে পিঠা উৎসবের সমাপনী হয়। এর আগে সকালে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)-এর আয়োজনে পুলিশ লাইন্সে এ পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। চলে দিনব্যাপী। এতে পুলিশ সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
উৎসবে চিতই পিঠা, দুধ চিতই, ভাঁপা পিঠা, মালপোয়া, রঙ বাহারি, হৃদয় হরণ পিঠা, পাটিশাপটা, ফুলঝুরি, ঝিনুক পিঠা, মেরা পিঠা, নকশি পিঠা, জামাই পিঠা, ফুল পিঠা, পুলি পিঠাসহ নানা রং ও জাতের বাহারী পিঠার ৯টি স্টল বসে। জেলার ৯টি থানার আয়োজনে এসব স্টল বসানো হয়।
পিঠা উৎসব পরিদর্শন করেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহফুজা আক্তার শিমুল, বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার পলাশ রঞ্জন দে, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি রাসেল চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ আহমদ খান। এ সময় অতিথিবৃন্দ পিঠা উৎসবের পরিবেশ এবং সকলের আগ্রহ দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। বিকেলে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক), হবিগঞ্জ-এর সভানেত্রী মিসেস তাহেরা রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলী।









