নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় মাত্র দুইজন লোক দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের কার্যক্রম। এর ফলে বিপুল সংখ্যক সেবা গ্রহিতারা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস সকলের জন্য একটি জনগুরুত্বপূর্ণ অফিস। প্রতিদিন প্রায় শত শত লোক তাদের বেতনবিল, ভাতাবিল ও অন্যান্য বিল অনুমোদনসহ বিভিন্ন কাজের সহযোগিতা নিতে এ অফিসে আসতে হয়। অফিসে ৭ জন লোক থাকার কথা কাগজে কলমে থাকলেও মাত্র একজন অফিসার ও একজন অডিটর দিয়েই চলছে জনগুরুত্বপূর্ণ এ অফিস। আত্রাইয়ের প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ জন সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীর বেতন বিল, সাড়ে ৫০০ জন পেনশনধারীর বিল, টিআর, কাবিখা, অনুদান বিল ও জিপিএফ বিলসহ দেড় সহস্রাধিক বিল এ অফিস থেকে অনুমোদন করতে হয়। মাত্র একজন অডিটরের পক্ষে এসব বিল প্রস্তুত ও ছাড় করতে চরম হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন শতাধিক সেবা গ্রহিতারা।
বিষয়টি নিয়ে বিশা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মোল্লা জানান, উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে আমাদের বসবাস। বিল সংক্রান্ত ফাইল হিসাব রক্ষণ অফিসে নিয়ে গেলে অফিসে লোকবল না থাকার কারনে একদিনে বিল উত্তোলন সম্ভব হয় না। ফলে দিনের পর দিন দাপ্তরিক কাজ ফেলে রেখে ফাইলের পিছনে ঘুরতে হয় আমাদের। যা আমাদের জন্য সত্যিই খুব পিড়াদায়ক।
উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের অডিটর আব্দুল হামিদ জানান, ৪ জনের কাজ তার একাই করতে হয়। গ্রাহকদের যেন কোনোরকম ভোগান্তি পোহাতে না হয় এ জন্য অবিরাম পরিশ্রম করে তাদের কাজের সমাধান করে থাকেন তিনি। এছাড়া যত দ্রুত সম্ভব সকলের বিল ফাইল ছাড় দেয়ার চেষ্টা করি।
গুরুত্বপূর্ণ এ অফিসের শূন্যপদগুলোতে দ্রুত লোকবল নিয়োগ দিয়ে জনদুর্ভোগ লাঘবে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকার সচেতন মহল।
আনন্দবাজার/শাহী









