সামাজিক বন বিভাগ রংপুর অঞ্চলের অধীনে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ডোমার বন বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকটে ভুগছে। ১৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারি দিয়ে চলছে ডোমার-ডিমলা উপজেলার ৭টি বিট ও রেঞ্জ অফিস। জনবল সংকটের কারণে ডোমার সদর ও ছাতুনা। এ দুই বিটের দায়িত্বে থাকা বিট অফিসার রেজাউল করিম নামে একজন কর্মকর্তা পালন করছেন উপজেলা বন কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্ব। ডোমার ফরেস্ট রেঞ্জে ৩ হাজার ০.৫৩ একর জমি রয়েছে। তার মধ্যে ৫’শ ৯০.৯৯ একর জমি দীর্ঘদিন থেকে বেদখল হয়ে আছে। এই জমিগুলো কত দিন থেকে বেদখল হয়ে আছে জানে না ফরেস্ট রেঞ্জের কোন কর্মকর্তা কর্মচারী। জমিগুলো দখলমুক্ত করতে ১শ’র উপরে মামলা আদালতে চলমান রয়েছে বলে অফিস সূত্রে জানা গেছে।
গোমনাতি বিটের স্টাফ আব্দুল আলিম জানান, এই বিটে আমরা দুজন থাকি। রাতের আঁধারে কিছু লোক বন বিভাগের জমিতে থাকা গাছ ও বাঁশ কেটে সাবার করছে। গাছ কেটে তৈরি করছে আবাদী জমি। গোমনাতি বিটে ৩’শ ১৪.১৫ একর জমি রয়েছে তার মধ্যে ৬২.৫৫ একর জমি ভূমিদস্যুদের দখলে। কিছু বলতে গেলে আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দেন তারা। গত ৯ অক্টোবর গোমনাতির একটি স’মিল থেকে ২৩টি গাছের ৯০.২০ ঘনফুট লক উদ্ধার করা হয়।
জনবল সংকটের ব্যাপারে জানতে চাইলে ডোমার ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আ. মান্নান বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ ৩৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর জায়গায় ১৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে চলছে ৭টি বিট। তিনি আরো জানান, আমাদের ডোমার ফরেস্ট রেঞ্জে ৩ হাজার ০.৫৩ একর জমি আছে। তার মধ্যে ৫’শ ৯০.৯৯ একর জমি বেদখল হয়েছে। জনবল সংকটের কারণে জমিগুলো দখলে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। একটি বিটে কমপক্ষে ৪ জন করে জনবল প্রয়োজন। জনবল না থাকায় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। জমিগুলো দখল মুক্ত করতে ৭টি বিটে ১শ’র উপরে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। জমিগুলো উদ্ধার ও জনবল সংকটের কথা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।









