করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় বেনাপোল স্থলপথে বন্ধ আমদানি-রফতানি। ফলে বিশেষ ব্যবস্থায় রেলপথে খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য আমদানি শুরু হয়েছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে।
জানা যায়, গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ৪২ টি ওয়াগানে ভারত থেকে ২ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন শুকনা মরিচ, হলুদ, পেঁয়াজ ও আদা আমদানি করা হয়। এটি ছিল বেনাপোল রেলপথে প্রথম খাদ্যদ্রব্য জাতীয় কোন পণ্যের আমদানি। পণ্যের আমদানিকারক বগুড়ার রুবেল এন্টারপ্রাইজ, সিঅ্যান্ডএফ এফ এজেন্ট বেনাপোলের রাজিব ট্রেড লংট্রেড।
আমদনিকারকের প্রতিনিধি বাদশা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে স্থলপথে আমদানি বন্ধ থাকায় তাদের এসব পণ্য আড়াই মাস যাবত ভারতের পেট্রাপোলে বন্দরে আটকা ছিল। অবশেষে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টায় রেলপথে এসব পণ্য ঢুকেছে। এতে তারা কিছুটা হলেও ক্ষতির হাত থেকে বাঁচবেন।
বেনাপোল কাস্টমস হাউজের রাজস্ব কর্মকর্তা নঈম মিরন জানান, বর্তমানে স্থলপথে আমদানি বন্ধ রয়েছে। বিশেষ ব্যবস্থায় কাস্টমস কমিশনারের প্রচেষ্টায় এসব পণ্য রেলপথে আমদানি হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে এভাবে বাণিজ্য চালু থাকবে। ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত পণ্য খালাস নিতে পারেন তার জন্য তারা আন্তরিক ভাবে কাজ করছেন।
বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান জানান, আমদানিকৃত খাদ্যদ্রব্যের চালান ছাড় করাতে কাস্টমস ও রেলওয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলছে। কাজ সম্পূর্ণ হলে চালানটি ছাড় দেওয়া হবে।
আনন্দবাজার/টি এস পি









