বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশের হজযাত্রীরা এ বছর হজ করতে যেতে না পারায় নিবন্ধন বাতিলের আবেদন শুরু হচ্ছে ১৯ জুলাই থেকে। কিন্তু যদি কেউ নিবন্ধন বাতিল না করে তবে তার নিবন্ধন ২০২১ সালের জন্য কার্যকর থাকবে।
গতকাল রোববার এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ অনুবিভাগ এসব তথ্য জানায়।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবছর বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জনের বিপরীতে নিবন্ধন করেছেন মোট ৬৪ হাজার ৫৯৪ জন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তিন ৪৫৭ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬১ হাজার ১৩৭ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস মহামারিজনিত কারণে এবছর অন্য দেশ থেকে কোনো হজযাত্রী হজ পালন করতে সৌদি আরব যেতে পারবে না। সৌদি আরবে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের নাগরিক ও সৌদি আরবের নাগরিকদের অংশগ্রহণে সীমিত পরিসরে হজ অনুষ্ঠিত হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালে বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের জন্য প্রাক-নিবন্ধিত ও নিবন্ধিত ব্যক্তিদের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সিদ্ধান্তগুলো হলো :
২০২০ সালে হজ পালনের জন্য যাদের প্রাক-নিবন্ধনের মেয়াদ বৈধ ছিল, তা ২০২১ সালের জন্য বলবৎ থাকবে। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যস্থাপনার যেসব প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তি ২০২০ সালের হজের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন তাদের নিবন্ধন ২০২১ সালের জন্য বৈধ থাকবে। নিবন্ধনকারী হজযাত্রীদের জমা টাকা ২০২১ সালের প্যাকেজ মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
হজ পালনের জন্য সরকারি-বেসকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত কোনো হজযাত্রী নিবন্ধন বাতিল করতে চাইলে আগামী ১৯ জুলাই থেকে হজ পোর্টাল www.hail.gov.bd অথবা https://prp.pilgrimbd.org/hajrefund লিঙ্কে নিজে বা নিবন্ধন কেন্দ্র থেকে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন অনুমোদিত হলে তার অনুকূলে নিবন্ধন বাতিল ভাউচার তৈরি হবে এবং ২০২০ সালের নিবন্ধন ও প্রাক-নিবন্ধন উভয়ে বাতিল হবে। ভবিষ্যতে হজে যেতে চাইলে তাকে নতুনভাবে প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন করতে হবে।
আনন্দবাজার/টি এস পি









