এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্মাণ করা হয় ব্রিজ। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই বর্ষায় প্রবল স্রোতে ব্রিজটি রাস্তাবিহীন হয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৫ বছর কাঠের মই বেয়ে পারাপার ও চলাচল করে এলাকাবাসী। দুর্ভোগ এড়াতে ব্রিজের দুই পাড়ে আবারও নির্মাণ করা হয়েছে সংযোগ রাস্তা। জনমনে স্বস্তি ফিরলেও এজিং ছাড়াই রাস্তা নির্মাণ করায় তাদের মনে রয়েছে শঙ্কাও।
সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি আবারও হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের মধ্যেও চলছে আলোচনা-সমালোচনা। এ দুর্ভোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে নজরে আসে কর্তৃপক্ষের।
এ ব্রিজটি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী ও যদুনাথপুর ইউনিয়নের বংশাই নদীর ওপর। ব্রিজের এক পাশে ধোপাখালী অন্য পাশে যদুনাথপুরের ইসলামপুর গ্রাম। মাটি থেকে প্রায় ৯ থেকে ১০ ফুট উচ্চতায়।
উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ ব্রিজের সংযোগ রাস্তা করতে এডিপির বরাদ্দ ছিল ৪ লাখ টাকা। স্থানীয় এসকে এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ কাজ করেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজের দুই পাশে সম্প্রতি করা হয়েছে সংযোগ রাস্তা। পারাপার হচ্ছে যদুনাথপুর ও ধোপাখালী ইউনিয়নের ৮/১০ গ্রামের বাসিন্দা। ইউনিয়ন দুটি কৃষি প্রধান। পাশের জমি থেকে খনন যন্ত্র (ভেকু) দিয়ে মাটি কেটে উঁচু করে তৈরি করা হয়েছে রাস্তা। দু’পাশে এজিং না থাকায় নতুন মাটি রক্ষার্থে লাগনো হয়েছে কিছু ঘাস ও গাছ। নদীতে বর্ষা ও বৃষ্টির পানি। গত কয়েক দিনে বৃষ্টির পানির সঙ্গে মাটি ধ্বসে নদীতে ধুয়ে যাচ্ছে। দেখা দিয়েছে ছোট-বড় গর্ত। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে অটোরিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
কলেজ শিক্ষার্থী মো. রোকনুজ্জামান বলেন, আমরা খুবই খুশি। তবে বৃষ্টি হলেই চিন্তা হয়। যদি ভালো করে করা হতো আরও খুশি হতাম। ইসলামপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘ব্রিজটি নির্মাণের বছরই বর্ষার প্রবল স্রোতে সংযোগ রাস্তাবিলীন হয়ে যায়। দুর্ভোগ নামে এলাকাবাসীর। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা পরিদর্শনে আসে। ১৪/১৫ দিন আগে আবারও সংযোগ রাস্তাটি করা হয়েছে। কিন্তু রাস্তার দুই পাশে এবারও এজিং নেই। এখনই বৃষ্টিতে মাটি নদীতে চলে যাচ্ছে।’









