- সাগরপথে বাণিজ্যে উৎসাহিত হবেন ব্যবসায়ীরা
- বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান সহজ হবে
বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য সহজ করতে সমঝোতা চুক্তি করা হয়েছে। থাইল্যান্ডের রানাং ও চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে সাগর পথে যোগাযোগ ও বিমসটেক অঞ্চলসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সংযোগ বাড়বে। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য চিটাগাং পোর্টের মোহাম্মদ জাফর আলম এবং রানা বন্দরের জামান চাইনিজ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির কারণে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের দুই দেশের মধ্যে সমুদ্র যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্য করতে ব্যবসায়ীরা উৎসাহিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে উভয় পক্ষের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে আরও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ অন্বেষণে উত্সাহিত করবে। উপরন্তু বন্দর ব্যবস্থাপনা, অপারেশন, তথ্য-প্রযুক্তি, যোগাযোগ, বন্দর সংযোগ, উপকূলীয় শিপিং, বন্দর সম্পর্কিত শিল্প এবং বিনিয়োগ প্রচারে তথ্য বিনিময় ও সহযোগিতার মাধ্যমে উভয় বন্দর কর্তৃপক্ষ উপকৃত হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, থাইল্যান্ড আর বাংলাদেশের মধ্যে এই সমঝোতা চুক্তি সাগর পথে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য সহজতর করবে। এটি বিমসটেক অঞ্চলসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বৃহত্তর সংযোগ বাড়াতে বাংলাদেশের বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গির অংশ।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া) এবং চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ অংশ নেয়। এ ছাড়াও বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত, সহকারী মহাপরিচালক, ড. ভার্চুয়াল স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে থাইল্যান্ড থেকে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট, পোর্ট অথরিটি অফ থাইল্যান্ড ছিলেন।
আনন্দবাজার/শহক









