চট্টগ্রামে সাগরে ড্রেজারডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত চার জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে এতে নিখোঁজ রয়েছেন আরও চার জন।
বুধবার (২৬ অক্টোবর) সকালে উদ্ধার হওয়া তিন শ্রমিক হলেন- পটুয়াখালী সদরের সদর উপজেলার চর জৈনকাঠি গ্রামের আনিচ মোল্লার ছেলে ইমাম মোল্লা, আবদুল হক মোল্লার ছেলে মাহমুদ মোল্লা, সেকান্দার বারির ছেলে জাহিদ বারি।
পূর্বে মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) রাতে ড্রেজারডুবির স্থান থেকে আল আমিন নামে এক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি একই এলাকার ফকির রহমানের ছেলে।
আট জনই সৈকত এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বালু উত্তোলনের ড্রেজার মেশিন সৈকত-২ এর শ্রমিক।
আট জনের বাড়িই পটুয়াখালী সদর উপজেলার চর জৈনকাঠি গ্রামে। স্বজনরা ধরে নিয়েছেন তাদের কেউ আর বেঁচে নেই। সবার বাড়িতে এখন শোকের মাতম।
ড্রেজারডুবির ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চর জৈনকাঠি গ্রামের মোল্লা বাড়ির আবদুর রহমানের ছেলে তারেক মোল্লা, আনিচ মোল্লার ছেলে শাহীন মোল্লা, ইউসুফ হাওলাদারের ছেলে বসার হাওলাদার ও নুরু সর্দারের ছেলে আলম সর্দার।
চর জৈনকাঠী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ সৈয়দ মহসিন জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক ও মর্মান্তিক। তাদের লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে আনার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিনহাজুর রহমান জানান, ‘উদ্ধারকারী ডুবুরি দল সাগরে ডুুবে যাওয়া ড্রেজার থেকে তিন জনের লাশ উদ্ধার করেছে। তাদের শরীর ফুলে গেছে। ড্রেজারডুবির ঘটনায় এ নিয়ে চার জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। এখনও নিখোঁজ চার জন।’
এ ঘটনায় একমাত্র বেঁচে ফেরা শ্রমিক মো. সালাম জানান, সোমবার রাতে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে তীব্র বাতাস ও ঢেউয়ে সৈকত-২ নামে তাদের ড্রেজারটি মীরসরাই উপকূলের সন্দ্বীপ চ্যানেলে ডুবে যায়। ড্রেজারের মালিক সৈকত এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ওই প্রতিষ্ঠানকে মীরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে নিয়োগ দিয়েছে বেপজা। ড্রেজারটিতে থাকা ৯ শ্রমিকের মধ্যে তিনি কিনারে আসতে পারলেও বাকি আট শ্রমিক আটকা পড়েন।
আনন্দবাজার/কআ









