চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট (জিডিপি) দেশজ উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। আগামী অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি কমে ১ শতাংশে নেমে আসতে পারে।
গতকাল (৮ জুন) প্রকাশিত গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টে এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। দীর্ঘমেয়াদে লকডাউন এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতায় দেশে বেসরকারি ভোগ ব্যয় কমেছে ব্যাপক হারে। শুধু বাংলাদেশই না, দক্ষিণ এশিয়ায় করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই অঞ্চলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যাপক পরিমাণে। বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। আস্থা কমেছে বিনিয়োগকারীদের।
বিশ্বব্যাংক প্রতি ত্রৈ-মাসিক অর্থনীতির পূর্বাভাস প্রতিবেদন হালনাগাদ করে থাকে।
জুনের প্রতিবেদনে সার্বিকভাবে এবছর বিশ্ব অর্থনীতি ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের বিষয়ে বলা হয়েছে, রপ্তানি এবং রেমিট্যান্স অনেক কমে গিয়েছে। করোনা সংক্রমণের প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদে ছুটির কারণে শিল্প উৎপাদনও প্রায় বন্ধ ছিল। শ্রমিকদের বড়ো একটি অংশ শহর ছেড়ে গ্রামে চলে গেছে। তবে অর্থনীতি ধরে রাখতে সরকারের প্রণোদান ঘোষণা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা উদ্যোগের চিত্রও সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে সামনের বছরগুলোতে রাজস্ব আদায়ের চাপ বাড়বে বলে ধারনা সংস্থাটির।
আনন্দবাজার/তা.তা









