এখন অবধি প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। তবে এনিয়ে রাতদিন এক করে দিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। সাফল্য এখনও মেলেনি। কতদিন নাগাদ এই ওষুধ আনা সম্ভব তা-ও বলতে পারছেন না গবেষকরা।
তবে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ‘হাইড্রোকুইনন’ নামে ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় কার্যকর হচ্ছে। বর্তমানে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ওষুধের সবচেয়ে বড় উৎপাদনকারী দেশ ভারত।
ইতোমধ্যেই এই ওষুধ নিতে ৩০টির বেশি দেশ ভারতের সাথে যোগাযোগ করেছে। এরপরই বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশের তালিকা তৈরি করে ভারত। প্রাথমিক পর্যায়ে তালিকাভুক্ত দেশগুলোকে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।
যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, জার্মানি, বাহরাইন, ব্রাজিল, নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশে এই ওষুধ পাঠানো হবে। এদিকে, গুজরাটের তিনটি কারখানা থেকে হাইড্রোক্সিক্লােরোকুইনের অন্তত ২ কোটি ৯০ লাখ ডোজ যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম ধাপে রফতানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এদিকে, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪২৪ এবং মৃতের সংখ্যা ২৭ জন। এখন পর্যন্ত ৩৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। করোনার এই দুঃসময়ে বাংলাদেশকে ২০ লাখ হাইড্রোক্সিক্লােরোকুইন ট্যাবলেট দেবে বলে জানিয়েছে ভারত।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জয়েন্ট সেক্রেটারি দামু রবি জানান, হাইড্রোক্সিক্লােরোকুইনের জন্য এ পর্যন্ত অনেক দেশ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। সে কারণেই বেশ কিছু দেশকে এই ওষুধ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আনন্দবাজার/তা.তা









