রেলের খাবারের মান ও দাম নিয়ে প্রতিনিয়তই আসে অভিযোগ। এছাড়া নিত্যই ঘটে বুফেকারে যাত্রী পরিবহনের মতো ঘটনা। আইনে শাস্তির বিধান থাকলেও প্রয়োগ হচ্ছে না সেগুলো। তবে এবার যাত্রীদের মাধ্যমেই শাস্তির ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এসব সবিস্তারে তুলে ধরেন তিনি।
তিনি বলেন, আমাদের সবার অভিযোগ ক্যাটারিং সার্ভিস খাবার দাম বেশি রাখে, মানসম্মত খাবার সরবরাহ করে না, খাবার গাড়িতে অবৈধ যাত্রী নেয়, খাবার রশিদ বা মেমো দেয় না। অনবোর্ড সার্ভিস মানে এটেন্ডেন্টরা যাত্রীদের সার্ভিস না দিয়ে ব্যস্ত থাকে অবৈধ যাত্রীদের নিয়ে, অর্থের বিনিময়ে তাদের ট্রেনে তুলে নেয়া হয়, টিকিট কালোবাজারি করা, ইত্যাদি।
তিনি আরও বলেন, ট্রেনে ক্যাটারিং সার্ভিসের লোকজন বা অনবোর্ড এটেন্ডেন্টদের কোনও অনিয়ম, দুর্নীতি বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের দায়ভার বর্তায় কিন্তু এইসব সার্ভিস প্রোভাইডার বা কম্পানির উপর। এজন্য এসব কম্পানিকে জরিমানাসহ শাস্তির বিধান রাখা আছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তা প্রয়োগ করা হয়নি। কম্পানির জরিমানা সহ লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থা নেয়া হলে, কম্পানিগুলো তাদের স্বার্থেই ট্রেনে তাদের লোকজনের অন্যায় অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ করে ফেলতে পারত। কিন্তু কখনো সে উদাহরণ সৃষ্টি করা হয়নি বিধায় সব অনিয়ম নিয়ে মাথা ব্যথা শুধু যাত্রীদের।
যাত্রীদের অন্যায় কাজগুলো ভিডিও করে প্রেরণের আহবান জানিয়ে মিলন বলেন, এখন থেকে সে ব্যবস্থাই নেয়া হবে ইন শা আল্লাহ। আমরা সামনে যাত্রীদের অভিযোগ দেয়ার একটি ভাল এবং সহজ পদ্ধতি তৈরি করব। আপনারা ট্রেনে এদের অনিয়ম অন্যায় নিয়ে অডিও/ভিডিও ধারণ করে তা প্রেরণ করবেন। রেলের কেউ এসব কাজে জড়িত থাকলেও তা ভিডিও করে পাঠাবেন। সবার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাথে জরিমানা সহ লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থা নেয়া হবে সার্ভিস প্রোভাইডার কম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে।
আনন্দবাজার/টি এস পি









