নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের একটি গ্রাম ছয়বাড়িয়া। এই গ্রামে কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। গ্রামের অধিকাংশ মানুষই কৃষক। এই গ্রামের চলাচলের একমাত্র ইট সোলিং এর রাস্তা ধ্বসে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন গ্রামবাসী। কোনমতে পায়ে হেটে যাওয়া গেলেও কৃষি পন্যসহ অন্যান্য উপকরণগুলো পরিবহরন করার জন্য ভ্যান গাড়ীসহ অন্যান্য ছোট ছোট যানবাহনগুলোও ধ্বসে যাওয়া অংশটুকু যাতায়াত করতে না পারায় চরম বিপাকে পড়েছে ওই গ্রামের শত শত কৃষকসহ সাধারন মানুষরা। অপরদিকে ধ্বসে যাওয়া অংশটুকু দ্রুত মেরামত করার আশ্বাস প্রদান করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ছয়বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা এসআই সবুজ, এনামুল হকসহ অনেকেই বলেন, রাস্তাটি নির্মাণের ছয়মাস পার না হতেই ছোট্ট একটি ফুটওভার কালভার্টের কাছেই ধ্বসে গেছে। এতে করে দিনের বেলায় পায়ে হেটে যাতায়াত করা গেলেও দুর্ঘটনা ঘটছে রাতের বেলায়। রাতের অন্ধকারে অনেকেই ধ্বসে যাওয়া অংশে পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। দায়সারা ও অপরিকল্পিত ভাবে রাস্তাটি নির্মাণ করার কারণেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। যদি কালভার্ট সংলগ্ন জলাশয়ের পাশ দিয়ে গাইডওয়াল নির্মাণ করে রাস্তাটি তৈরি করা হতো তাহলে আর এই সমস্যার সৃষ্টি হতো না। রাস্তাটি ধ্বসে যাওয়ার বেশ কিছুদিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত অফিসের কোন ব্যক্তিরাই রাস্তাটি দেখতে আসেনি। অথচ প্রতিদিন গ্রামের শত শত কৃষকসহ সাধারন মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জলাশয়ের পাশে ধ্বসে যাওয়া অংশটুকু দ্রুত গাইডওয়াল নির্মাণের সঙ্গে এই জনগুরুত্বপূর্ন গ্রামীণ রাস্তাটি মেরামত করে গ্রামবাসীদের চলাচল সহজ করে দিতে গ্রামবাসীর পক্ষে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, ধ্বসে যাওয়ার পর আমি ওই রাস্তাটি পরিদর্শন করেছি। জলাশয়ের পানি শুকালেই ধ্বসে যাওয়া অংশে গাইডওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে নতুন করে রাস্তাটি মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।









