জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাব পশুতে
- অন্য পশুর মাঝে এ রোগ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আক্রান্ত গরুকে মশারির মধ্যে রাখার পরামর্শ
গাইবান্ধার প্রত্যান্ত অঞ্চলে গরুর ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ’ নামের রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর ফলে খামিররা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। এ পর্যন্ত ২৮৭ টি আক্রান্ত গরুর চিকিৎসাসহ ১৩ হাজার গরুকে এ রোগের টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, এটি ভাইরাস জনিত রোগ। আফ্রিকায় এ রোগ প্রথমে দেখা দেয়। পরে ভারতে এবং এখন বাংলাদেশে এ ভাইরাসটির ঢুকে পড়েছে। গত কয়েক বছর ধরে গাইবান্ধায় এ রোগটি ছড়িয়ে পড়ছে। বিভিন্ন উপজেলায় গো-খামারীরা এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
গাইবান্ধার সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের কামরুল ইসলাম জানান, হঠাৎ গরুর চামড়ার বিভিন্ন স্থানে ফুলে চাকা-চাকা হয়। গরুর শরীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর মুখে লালা থাকে এবং প্রচুর মাছি পড়তে থাকে গরুর গায়ে।
স্থানীয় পশু চিকিৎসক মশিউর রহমান বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ’ রোগে আক্রান্ত বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আক্রান্ত গরুগুলোর যত্নসহকারে লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এ রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে গরুর মালিকদের নানান পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যেন অন্য কোনো পশুর মাঝে ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্য আক্রান্ত গরুকে মশারি দিয়ে রাখতে হবে। আতঙ্কিত বা ভয়ের কোনো কারণ নেই।
গাইবান্ধা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাসুদুর রহমান জানান, লাম্পি স্কিন ডিজিজে গরুর মৃত্যু ঝুঁকি কম। গৃহস্থদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উঠান বৈঠক, লিফলেট বিতরণ এবং চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারনে মশা, মাছির উপদ্রোব বেড়ে গেছে। এখন বৃষ্টি হয়েছে প্রকোপ কমে যাবে।









