পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধুলাসারের গঙ্গামতি হয়ে কুয়াকাটা যাতায়াতের খেয়ায় পর্যটকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। নির্দিষ্ট ভাড়ার চার্ট না থাকায় পর্যটকসহ যাত্রীদের নিকট থেকে ইচ্ছেমত ভাড়া নেয়া হচ্ছে। মোটরসাইকেল প্রতি ৮০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
গঙ্গামতি ঘুরতে আসা পর্যটকরা কাউয়ার চর হয়ে কুয়াকাটা যাতায়তের জন্য গঙ্গামতি খেয়াপাড় হয়ে যেতে হয়। এতে গঙ্গামতিসহ কুয়াকাটার সৌন্দর্য্যরে দৃশ্য দেখা সহজসাধ্য হয়। এছাড়াও বিভিন্ন কাজে স্থানীয়রা এ পথ হয়ে কুয়াকাটা যাতায়ত করে থাকে। তবে, গঙ্গামতি খেয়ায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণে জিম্মি হয়ে পড়েছে পর্যটকসহ যাত্রীরা। এ পথে অন্যান্য পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় যাত্রীরা নিজস্ব মোটরসাইকেল নিয়েই যাতায়াত করে থাকে। পরিবহন সমস্যার এ সুযোগটি নিয়েই খেয়ায় ইচ্ছেমত ভাড়া হাকিয়ে নিচ্ছেন মাঝিরা। তাদের ইচ্ছেমত একেকজনের নিকট হতে একেক রকম ভাড়া তুলছে। আবার মোটরসাইকেলের মান অনুযায়ী ভিন্ন ভাড়া নিয়ে থাকে তারা। ভিআইপি বা ভালো মানের মোটরসাইকেল হলে ভাড়া বেশি নিয়ে থাকে। সাধারণত প্রতিটি মোটরসাইকেল থেকে ৮০ টাকা ভাড়া নেয়া হয়। তবে ভিআইপি গাড়ি হলে সে ভাড়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
পর্যটক ইমন আল আহসান বলেন, আমি ও আমার চার বন্ধু নিজস্ব দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে গঙ্গামতি ঘুরে কুয়াকাটা যাওয়ার জন্য এ পথ বেছে নিয়েছিলাম। তবে, এখানে মোটরসাইকেলের ভাড়া শুনে আমি হতভাগ হয়ে গেছি। আমার পালসার গাড়ি ৮০ টাকা আর আমার বন্ধুর গাড়ি হোন্ডা কোম্পানির রেফসল হওয়ায় ১৫০ টাকা ভাড়া দাবী করেন তারা। একই খেয়ায় দুইধরনের ভাড়া নেয়ার বিষয়টির কিছুই বুঝতে পারলাম না।
ধুলাসার ইউপি চেয়ারম্যান ক্বারি মো. হাফেজ আব্দুর রহিম বলেন, এটা আমার ইউনিয়ন পরিষদের নিয়ন্ত্রণে না।
কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ বলেন, এ বিষয়ে আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। খুব শিঘ্রই একটি মোবাইল টিম সেখানে যাবে। এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, বিষয়টি আমরা দেখছি।









