ইপিজেড স্থাপন
- গাইবান্ধায় ইপিজেড নিয়ে কুচক্রি মহলের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন-গণসমাবেশ
গাইবান্ধা-পলাশবাড়ি সড়কের সাঁকোয়া ব্রিজ এলাকায় ইপিজেড স্থাপনের দাবিতে গতকাল শনিবার গাইবান্ধা নাগরিক মঞ্চের উদ্যোগে জেলা ডিবি রোড গানাসাস মার্কেটের সামনে মানববন্ধন ও গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নাগরিক মঞ্চের সদস্য সচিব জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বাবু’র সভাপতিত্বে গণসমাবেশে বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার সাবেক জেলা প্রশাসক ড. কাজী আনোয়ারুল হক জেলার পলাশবাড়ি উপজেলার সাঁকোয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল ইপিজেড করার প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছিলেন। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, ষড়যন্ত্রকারি মহল তৎকালীন জেলা প্রশাসকের প্রস্তবনা ধামাচাপা দিয়ে বিরোধপূর্ণ এবং গাইবান্ধা জেলার দিনাজপুর সংলগ্ন এলাকার একটি স্থানে ইপিজেড স্থাপনের পাঁয়তারা করছে। অথচ সাঁকোয়া ব্রিজ এলাকায় ইপিজেড নির্মিত হলে বিনিয়োগকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে আগ্রহী হবে। কারণ, এখানে ইপিজেড হলে রাজপথ, রেলপথ, নৌপথ, হেলিপ্যাড ব্যবহারের সুযোগ পাবেন বিনিয়োগকারীরা। এ ছাড়া সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা, সাদুল্যাপুর, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ি ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার মানুষসহ আশপাশের জেলার কর্মজীবি মানুষ ইপিজেডে সহজে যাতায়াত করতে পারবে।
বক্তারা আরোও বলেন, গাইবান্ধা বালাসিঘাটে ব্রহ্মপুর টানেল নির্মাণ, গাইবান্ধায় মেডিকেল কলেজ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন দাবি জানান। সেই সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র নদীতে বিআইডাব্লিউটিএ ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বালাসি ঘাট ও বাহাদুরাবাদে টার্মিনালসহ অবকাঠামো নির্মাণে রাষ্ট্রিয় অর্থ অপচয়কারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এছাড়াও গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে দুস্কৃতিকারী দ্বারা লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদ জানানো হয় এবং দোষিদের শাস্তি দাবি করা হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা জাসদ সভাপতি গোলাম মারুফ মনা, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জনি, ওয়ার্কার্স পার্টি মার্কসবাদী সদস্য মৃণাল কান্তি বর্মণ, মানবাধিকার কর্মী অঞ্জলী রানী দেবী, শহিদুল ইসলাম, গোলাম রব্বানী মুসা, ওমর হাবীব বাদশা প্রমুখ।









