চলতি রমজানে বাজার মনিটরিং, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও বাজার তদারকির অংশ হিসেবে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তাধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জেলা শাখা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় নির্দিষ্ট মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে তরমুজ বিক্রি করার অপরাধে এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার ও সরকার নির্ধারিত মূল্যের থেকে বেশি মূল্যে ভোজ্যতেল (সয়াবিন তেল) বিক্রির অপরাধে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নোয়াখালীর সহকারি পরিচালক কাউছার মিয়া ও বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী। অভিযানে সহযোগিতা করেন বেগমগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত জানা যায়, রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে দুপুরে চৌমুহনী ব্যাংক রোড এলাকায় অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তাধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানকালে ফরাজী স্টোরকে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল সরকার নির্ধারিত মূল্য পাইকারি ১৩৬টাকার পরিবর্তে ১৫১টাকা করে বিক্রি করার অপরাধে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৫০হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
এদিকে, রমজানে বাজার তদারকির অংশ হিসেবে সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান চলাকালে দুপুরে চৌমুহনী বাজারের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দ্রব্য মূল্য তদারকি করা হয়। এসময় চৌমুহনী হকার্স মার্কেট এলাকায় তরমুজ ব্যবসায়ী শাহ আলমের দোকানে অভিযান চালিয়ে কোন প্রকার ক্রয় মেমো এবং দু’টি তরমুজ ৬০০টাকা করে বিক্রির অপরাধে ২০হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
অর্থদণ্ডের বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নোয়াখালীর সহকারি পরিচালক মো. কাউছার মিয়া ও বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী। বাজার নিয়ন্ত্রণে এ অভিযান অব্যহত থাকবে বলেও জানান এ কর্মকর্তারা।









