কাপ্তাই হ্রদের দখল নিয়ে চলছে মহোৎসব। কাপ্তাই হ্রদের আয়তন ৭২৫ বর্গকিলোমিটার হলেও বর্তমানে বেশিরভাগ জায়গায় এখন আর ফাঁকা নেই। প্রতিনিয়তই প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলের কারণে জায়গা হারাচ্ছে কাপ্তাই হ্রদ। বর্তমানে সরকারি অর্থায়নেও কাপ্তাই হ্রদেনির্মাণ হচ্ছে অবৈধভাবে বহুতল ভবন।
এতে একদিকে যেমন ছোট হয়ে আসছে, তেমনি অন্যদিকে সৌন্দর্যও হারাচ্ছে কাপ্তাই হ্রদ।
জানা গেছে, রাঙামাটিতে জেলা পরিষদের অর্থায়নে কাপ্তাই হ্রদ দখল করে ভবন নির্মাণ করছে ‘ফ্রেন্ডস ক্লাব’ নামে একটি ক্লাব। সেই সাথে ওই ক্লাবের কমিউনিটি সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্তাপন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার। শুধু ফ্রেন্ডস ক্লাবই নয়, এভাবেই কাপ্তাই হ্রদে নানা স্থানে চলছে হ্রদ দখল। কিন্তু আইনে, ১২০ ফুটের মধ্যে কোন স্থাপনা নির্মাণ করার কোন নিয়ম নেই। কিন্তু আইন না মেনেই একের পর অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করছেন প্রভাবশালীরা।
তবে জেলা প্রশাসনের দাবি করছেন, কাপ্তাই হ্রদে অবৈধভাবে ভবন নির্মাণ বন্ধে কড়া নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি অনেক ভবনের কাজও বন্ধ করে দিয়েছেন তারা। তবে কঠোরতা না থাকায় প্রশাসনের নির্দেশনা খুব একটা মানছেন না প্রভাবশালী দখলদাররা।
এই ব্যাপারে রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী জানান, অনেকদিন ধরে হ্রদের চারপাশে দরিদ্র মানুষের বসবাস গড়ে ওঠে। তখন মানবতার অজুহাতে তাদের কিছুই বলা হয়নি। কিন্তু বর্তমানে প্রভাবশালীরাই ইচ্ছেমতো হ্রদের স্থান দখল করছে। তখন যদি কঠোর হওয়া যেত, দখল এবং বসবাস বন্ধ করা যেত তাহলে আজ ব্যাপারটি এই পর্যায়ে আসত না। তবে কাপ্তাই হ্রদের তীরবর্তী স্থানে বসবাসরতদের উপশহরে স্থানান্তরের মাধ্যমে এর সমাধান ভাবছেন পৌরসভা মেয়র।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে









