নিজে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও চেম্বারে বসে দেখে যাচ্ছেন রোগী। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যাপক মাহামুদুর রহমানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে। করোনা আক্রান্ত হয়েও একটি ডাগনস্টিক সেটারে রোগী দেখছিলেন তিনি। বিষয়টি জানার পর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সিভিল সার্জন মোহাম্মদ জাহাংগীর আলম শিপন জানান, শনিবার বিকালে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জেলা শহরের ব্যায়ামাগার মোড় সংলগ্ন ‘নোভা ডায়গনোস্টিক সেন্টার’ অবরুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনা তদন্তে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক গোলাম হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সিভিল সার্জন আরও বলেন, শুক্রবার গাইনি বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসকের করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আমি নিজে তাকে খবরটি বলেছি। তখন তিনি নিজে থেকে আইসোলেশনে থাকবেন বলেন। কিন্তু বিকালেই চেম্বারে রোগী দেখতে যান।
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গির হোসেন বলেন, করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েও চেম্বারে রোগী দেখার কথা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা তার চেম্বারে গিয়ে প্রতিবাদ করে। কিন্তু তাদের প্রতিবাদে সাড়া না দিয়ে রোগী দেখার কাজ চালিয়ে যান মাহমুদুর। এ ঘটনা বিভিন্ন মহল থেকে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগকে অবহিত করার পর তিনি চেম্বার ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস








