মহাসড়কের (ঢাকা-ময়মনসিংহ) সরকারি জমি বন্ধক রেখে একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ১৫ কোটি টাকা ঋণ নেবার ঘটনা অনুসন্ধান করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ২৬ জুনের মধ্যে অনুসন্ধান করে তার প্রতিবেদন জমা দিতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে এ বিষয়ে রুলও জারি করা হয়।
এ সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গতকাল সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার অনীক আর হক। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। গত ২৪ এপ্রিল ঘটনাটি তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ওবায়েদ আহমেদ রিটটি দায়ের করেন।
আইনজীবী মো. তামজীদ হাসান বলেন, মহাসড়কের জায়গা বন্ধক দিয়ে ঋণ নিয়েছে। একটি বেসরকারি টিভিতে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কোন ব্যবস্থা নেয়নি। সম্প্রতি গোলাম ফারুক একটি হত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেফতার হয়। কিন্তু মহসড়কের জমি বন্ধকের ঘটনায় কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই ওই ঘটনার তদন্ত চেয়ে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ চেয়ে আবেদন করা হয়।
এছাড়া দুর্নীতির ঘটনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়। দুদকের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়। রিট আবেদনে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়।









