সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কৌশলে দোকান খোলা রাখায় মোংলায় ১৯ ব্যাবসায়ীদের ৩৩,৭৫০ টাকা আর্থিক জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সরকারি নিদর্শনা ভেঙ্গে বেশকিছু দিন যাবৎ ধরে সকাল ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত শহরের প্রায় সকল দোকানের শাটার অর্ধেক খোলা রেখে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছিল।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে নৌবাহিনী কিছুটা কৌশলী হয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। আনুমানিক সকাল ৭টায় নৌবাহিনীর গাড়ি বহরে এসে শহরে প্রাণ কেন্দ্র চৌধুরীর মোড় ও তার আসে পাশের অলিগলিতে ঢুকে নৌবাহিনীর সদস্যরা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ব্যাবসায়ীরা তড়িঘড়ি করে দোকান বন্ধ করতে গেলে নৌবাহিনীর সদস্যরা তাদের বাঁধা দেয়। পরবর্তীতে নৌবাহিনী কন্টিনজেন্টের সদস্যদের সাথে নিয়ে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে কৌশলে সকাল ৬ টা থেকে ৯ টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার অপরাধে ১৯ ব্যাবসায়ীকে ৩৩৭৫০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। ব্যাবসায়ীদের নাম ও আর্থিক দন্ডের পরিমান গুলো হলো, মোঃসাগর-৭৫০টাকা,রিপন-৫০০০ টাকা,আমির হোসেন -৩৫০০টাকা,জসিমউদদীন-৭০০টাকা,ইমন হোসেন-৫০০ টাকা,আবুল হাসান-৫০০টাকা, সেকেন্দার আবুল-৩৫০ টাকা,মোশারফ হোসেন-১৫০ টাকা,মোঃকামরুল ইসলাম -২১৫০টাকা,নাসিমা রওশন জাহান-২০০০টাকা,শ্যামল বিশ্বাস -৫০০ টাকা,আলাউদ্দিন -৯০০ টাকা,মোশারফ -৫০০ টাকা,মোঃ হাফিজ উদ্দিন -১০০০০ টাকা,হারুন-১০০০ টাকা,ফিরোজ উদ্দিন -৮০০ টাকা,আরিফ - ৪৫০ টাকা,ফাতেমা টেইলর্স -১০০০ টাকা,আবুল বাসার-৩০০০ টাকা।
সহকারি কমিশনার নয়ন কুমার রাজবংশী জানান, বার বার সতর্ক করার পরেও যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।আমারা প্রায়ই খবর পাচ্ছি সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে আইনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে ব্যাবসায়ীরা লুকিয়ে দোকান খুলছে এতে করে লোকসমাগম বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই আজ সকালে নৌবাহিনীর সহযোগিতায় আমরা এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করি এবং আইন অমান্য কারি কিছু ব্যাবসায়ীদের আর্থিক জরিমানা করা হয়।
আনন্দবাজার/শহক/সু








