কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিভিন্ন বাজার গুলোতে দেশি মাছ ধরার উপকরণ হিসাবে জাল কিনতে গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণির লোকের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। চারিদিকে পানি আর পানি খাল-বিল নালা ডোবায় প্রচুর পরিমাণ মাছ থাকায় গ্রামের সকল শ্রেণির মানুষ মাছ ধরার প্রতি আকৃষ্ট হওয়ায় এবং দেশি মাছের চাহিদা বাড়ায় এ সকল উপকরণ বিক্রির ধুম পড়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন বাজারগুলোর মধ্যে উলিপুর, দুর্গাপুর, থেতরাই, নাগড়াকুড়া, জুম্মাহাট, দলদলিয়াসহ আরও কয়েকটি গ্রামীণ বাজারে গিয়ে দেখা যায় দেশি মাছ ধরার উপকরণ হিসাবে জাল ক্রয় করারা জন্য ক্রেতার উপছে পড়া ভীড়। দেশি মাছ ধরার উপকরণ গুলোর মধ্যে কারেন্ট জাল, মুঠো জাল, ঝাইট জাল, ঝিটকি জাল সহ আরও অনেক উপকরণ দেখা যায়। শ্রাবন মাস সারাদিন সারারাত রিমঝিম বৃষ্টি আর বৃষ্টি হওয়ায় নদী-নালা, খাল-বিল, নিচু এলাকায় কানায় কানায় ভরে গেছে পানিতে। আর এসব বিলে প্রচুর পরিমাণ ভিন্ন জাতের দেশি মাছের আমদানি হয়েছে। এসকল মাছ ধরার উপকরণ কিনতে বাজার গুলোতে মেতে উঠেছে ক্রেতারা।
মাছ ধরার উপকরণ হিসাবে জাল বিক্রেতা ইয়াসিন (১৪) বলেন, আমি ৮ম শ্রেনীতে পড়ি বর্তমানে আমার অর্ধবার্ষিকি পরীক্ষা শেষ হওয়ায় বাসায় মাছ ধরার উপকরণ তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে এসেছি। বর্তমান দেশি মাছের আমদানি হওয়ায় এ সকল জালের অনেক চাহিদা হয়েছে। তিনি আরও বলেন এ জাল বিক্রি করে আমাদের সংসার চলে।
মাছ ধরার উপকরণ হিসাবে জাল ক্রেতা আশরাফুল, আব্দুল হালিম, সিয়াম, জামাল সহ আরও অনেকে বলেন, এখন দেশি মাছের ভরা মৌসুম। খাল- বিল, নদী-নালা, পুকুরে প্রচুর পরিমাণ দেশি মাছের বিচরণ শুরু হয়েছে। এসকল মাছ ধরার জন্য সখ করে জাল কিনতে এসেছি। মাছ ধরার আনন্দ উপভোগ করব। মাছও ধরতে পারব।
মাছ ধরার উপকরণ হিসাবে জাল বিক্রির ব্যাপারি মজিবর রহমান বলেন, বর্তমান দেশি মাছ ধরার সময়। এ কারনে গ্রামের ছোট মানুষ থেকে শুরু করে বড় মানুষ পর্যন্ত জাল কিনতে বাজারে ভীড় করছেন। তিনি আরও বলেন বাজারে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ জাল কিনতে এসেছে। অনেক জাল বিক্রি করলাম। আশা করি আজ অনেক টাকা ইনকাম করতে পারব।









