টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সুরমা নদীর পানি এখন লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এতে সদর ও দোয়ারাবাজার উপজেলার হালিমপুর, আমবাড়ি, শেখেরগাঁও, মান্নারগাঁও, গনারগাঁও, ইসলামপুর, পিরিজপুর, রামপুর, ধনপুর, জুগিরগাঁও, গোপালপুর, ওয়াজিদনগর, বদরপুর, অচিন্তপুর, বসন্তপুর, হাজারিগাঁও গ্রামের বসতঘর এখনও পানিতে নিমজ্জিত হয়ে আছে। ফলে বন্যা দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট।
প্রশাসনের বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্রে জানা যায়, জেলার ১১টি উপজেলার গ্রাম এখনও বানের পানিতে নিমজ্জিত আছে। সড়কগুলো পানিতে ডুবে থাকায় বানভাসি মানুষের র্দুভোগ আরও বেড়েছে। তবে ন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৭২৯টি পরিবার। ইতোমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা শুকনো খাবার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
দোয়ারাবাজার উপজেলা মান্নারগাঁও ইউনিয়নের হাজারিগাঁও গ্রামের রাধেশ্যাম আব্দুছ সোবাহান বলেন, বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কাঁচাঘর বাড়িগুলোর। মাটির দেয়াল ভেঙে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, উজানে বৃষ্টি কম হওয়ায় নদ-নদীর পানি এখন কমতে শুরু করেছে। তবে ধীর গতিতে পানি কমছে।
আনন্দবাজার/এম.কে








