- অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, সাবেক চেয়ারম্যান, টুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, ঢাবি
বাংলাদেশের ষড়ঋতুর সৌন্দর্য ও পর্যটনকেন্দ্রগুলোর প্রচার-প্রসার বৃদ্ধি করা গেলে এখাতটি রাজস্ব আয়ের বৃহৎখাতে পরিণত হবে। তা ছাড়া ভুটানের সঙ্গে শিল্পটির বিকাশে জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগাতে সহায়তা করবে। কেননা ভুটান তাদের অন্যতম আয়ের উৎস পর্যটন থেকেই পেয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাষাধ্যক্ষ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া।
দৈনিক আনন্দবাজারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান বলেন, ভুটান-বাংলাদেশ পর্যটনশিল্পের বিকাশে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে সেখানে উভয় দেশের দক্ষদের মধ্যে জ্ঞান ও দক্ষতার আদান-প্রদান। ট্যুর অপারেটরদের মধ্যে সমন্বয় ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আদান-প্রদান। এতে করে উভয় দেশই নতুনত্ব পাবে। বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ হওয়াতে যেকোনো সময় ভ্রমণ করা যায়। এখানকার সৌন্দর্য ও শিল্পরূপ তুলে ধরতে পারলে পর্যটনশিল্প আরও বিকশিত হবে। তবে এখানে সমস্যাও আছে প্রচুর। কেননা সরকারের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও এক মন্ত্রণালয় থেকে অন্য মন্ত্রণালয়ে পর্যটন বিষয়ে কাজ করতে গিয়ে প্রতিবন্ধকতার শিকার হতে হয়। সেবাগুলো একটি সমন্বিত বলয়ে নিয়ে আসতে পারলে পর্যটকদের জন্য সুবিধা হয়।
ড. বদরুজ্জামান ভুইয়া বলেন, পর্যটনকেন্দ্র বা স্থানগুলো সরকারি, বেসরকারি ও স্থানীয় লোকদের সমন্বয়ে গড়ে তুলতে পারলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। তা ছাড়া ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসব বিষয়ে যারা পড়ালেখা করেছে তাদেরকে পর্যটন করপোরেশনে কাজের সুযোগ দিলে এখাত আরো সমৃদ্ধ হয়। তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে এসব শিক্ষার্থীদের না নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে লোকবল নিয়ে তারা কাজ করছে।
অধ্যাপক বদরুজ্জামান বলেন, ভুটানের পর্যটনশিল্প প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। সেই তুলনায় আমাদের মানুষ ও দেশের সীমানাও বড়। পর্যটনসমৃদ্ধ স্থানও বেশি। তাদের ব্যবস্থাপনা দেখে-শিখে কাজে লাগাতে পারলে পর্যটনখাতটি কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আয়ের বৃহৎ একটি খাতে পরিণত হবে।









