বিশ্বব্যাপী মহামারী আকার ধারণ করা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করছে বাংলাদেশ সরকার। ইতোমধ্যে গ্রাম পর্যায়ে করোনা পরীক্ষা করা শুরু হয়ে গেছে। যার জন্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাড়ানো হয়েছে করোনা শনাক্তকরণের জন্য ল্যাবের সংখ্যাও।
দেশে ৭০ জনের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ।এর মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে এখনো মৃদু আকারে কমিউনিটি ট্রান্সমিশনেরও রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের জনগণকে কীভাবে এই পরীক্ষার আওতায় আনা যাবে তা নিয়ে আছে অনেক শঙ্কা। তবে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে তাদের নেওয়া পদক্ষেপের কারণে সেটিও সম্ভব হবে। আর এ জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপও নিয়েছে সরকার।
প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ কিভাবে স্যাম্পল পরীক্ষা করাবে এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. হাবিবুর রহমান জানান, ‘দেশের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের মানুষদের নমুনা সংগ্রহের জন্য আমরা তিন ধাপের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।’
আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে ঢাকায় তিনটি ও এর বাইরে তিনটি এবং ২০ এপ্রিলের মধ্যে ঢাকার ভেতরে চারটি ও ঢাকার বাইরে আরো ছয়টিসহ মোট ২৮টি স্থানে কোভিড-১৯ পরীক্ষার ল্যাব স্থাপন করা হবে। এরই মধ্যে ঢাকায় সাতটি ও ঢাকার বাইরে তিনটি প্রতিষ্ঠানে কোভিড-১৯ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান ডা. হাবিবুর রহমান। এছাড়া আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে সারা দেশে ২৮টি পিসিআর ল্যাব পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকবে।
আনন্দবাজার/রনি









