কারাগার জনবহুল হওয়ায় সেখানে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। কারাগারে একজন ব্যক্তি আক্রান্ত হলে সেটা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। সেজন্য দেশের ৬৮ টি কারাগারে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সক্ষমতা বাড়াতে ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ দ্য রেড ক্রস (আইসিআরসি) কারা অধিদপ্তর এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিলিতভাবে কাজ করছে। এছাড়া কারাগারে করোনা সংক্রমণ ও প্রতিরোধে ব্যবস্থা বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
আইসিআরসির ডিটেনশন টিম লিডার সিমোনা চারভি বলেন, আমাদের নির্দেশিকা এবং বাংলাদেশের কোভিড-১৯ নিয়ে জাতীয় প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষকে নানা সুপারিশ দিচ্ছি, যেন করোনাভাইরাস সংক্রমণে তারা তাদের প্রস্তুতিকে আরও উন্নত করতে পারে। পাশাপাশি সরাসরি সহযোগিতা দিচ্ছি যেন এ সংক্রমণ প্রতিরোধে একটা সার্বিক প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা থাকে।
গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে প্রয়োজনীয় উপকরণের প্রথম ব্যাচ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কারাগারে করোনা সংক্রমণ রোধে প্রাথমিক পর্যায়ের চিকিৎসা সেবা দেয়া ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কিত সচেতনতার কমপ্লায়ান্স নিশ্চিত এবং প্রয়োগ করতে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি) গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির (বিডিআরসিএস) স্বেচ্ছাসেবীরা কারাগারের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের কাজে যুক্ত হবে। এবং নতুন প্রশিক্ষিত কর্মীরা অন্যান্য কর্মচারী, বন্দী এবং দর্শনার্থীদের কাছে তথ্যগুলো জানাবেন।
আনন্দবাজার/ টি এস পি









