এক্স-রে মেশিনের এসি তার চুরি এবং প্রিন্টার নষ্ট হওয়ায় নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১০০ শয্যা হাসপাতালে এক্স-রে সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। এতে রোগীরা বাধ্য হয়ে বাহিরের বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে এক্স-রে করতে বাধ্য হচ্ছে। এটি চুরি না অন্য কিছু এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সেবা নিতে আসা রোগীরা।
বিভিন্ন রোগীদের অভিযোগে প্রেক্ষিতে শনিবার খোঁজ করতে গেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের জানায়, গত ১৬ এপ্রিল এক্স-রে মেশিনের তার চুরি হয়ে যায়। এরপর থেকে সেবা বন্ধ রয়েছে হাসপাতালটিতে। তবে রোগীরা বলছে হাসপাতালের সঙ্গে বিভিন্ন বেসরকারী ক্লিনিকের সু-সর্ম্পক রয়েছে। সরকারি হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক ওই সব ক্লিনিকে নিয়মিত রোগী দেখেন। হাসপাতালের এক্স-রে কক্ষটি তালাবদ্ধ রয়েছে। রোগীরা কক্ষের সামনে গেলে টেকনিশিয়ান তাদের নির্দিষ্ট কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মোহায়মেনুল ইসলাম বলেন, মেশিনের এসি তার চুরি এবং প্রিন্টার নষ্ট হওয়ায় এক সপ্তাহ ধরে এক্স-রে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ এসি তার দেশের বাজারে পাওয়া যায় না। আর এক্স-রে ফিল্ম প্রিন্টার সারাতেও সময় লাগবে। চুরির বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
সৈয়দপুর থানার ওসি আবুল হাসনাত খান বলেন, হাসপাতালে এক্স-রে মেশিনের এসি তার চুরির ঘটিনাটি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো অভিযোগ করেননি।









