কুমিল্লা জেলার সকল নদী অবৈধ দখল মুক্ত করতে কাল থেকেই অভিযানে নামবে জেলা প্রশাসন। বিশেষ করে কুমিল্লা নগরী ঘেষা পুরাতন গোমতী নদী, মুরাদনগরের অদের খালে নির্মত অবৈধ ব্রিজ, এবং লাকসামের ডাকাতীয়া নদীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে মোবইল কোর্ট পরিচালনা করবে জেলা প্রশাসন। বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান একথা বলেছেন।
গতকাল রোববার ‘বিশ্ব নদী দিবস’ উপলক্ষে কুমিল্লা রেজলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড যৌথ ভাবে আলোচনা সভা ও র্যলির আয়োজন করে। নদী রক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশেও দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে জাতীয় নদীরক্ষা কমিটি, বিভিন্ন পরিবশেবাদী সংগঠনগুলো। এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘আমাদের জনজীবনে নৌপথ’। জনজীবনে নৌপথের সম্পৃক্ততা বাড়াতেই এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ কাবিরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর সভাপতি শাহ্ মোহাম্মদ আলমগীল খান, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাাপতি আবুল হাসানাত বাবুল, জেলা কালচারাল অফিসার সৈয়দ মুহম্মদ আয়াজ মাবুদ, ঐতিহ্য কুমিল্লার পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল, সাংবাদিক গাজিউল হক সোহাগ প্রমূখ।
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। আমাদের দেশে নদী ও মানুষের জীবন অবিচ্ছেদ্য। সে কারণেই ১৯৮০ সাল থেকে নদী সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার পালন করা হচ্ছে বিশ্ব নদী দিবস।
২০০৫ সালে জাতিসংঘ নদী রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরি করতে ‘জীবনের জন্য জল দশক’ ঘোষণা করে। সে সময়ই জাতিসংঘ দিবসটি অনুসমর্থন করে। এরপর থেকেই জাতিসংঘের বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা দিবসটি পালন করছে, যা দিনদিন বিস্তৃত হচ্ছে। বাংলাদেশে ২০১০ সাল থেকে এ দিবস পালিত হচ্ছে।









