মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার হাসাইল-বানারী ইউনিয়নের মধ্য হাসাইল গ্রামের ৫০ টি পরিবারের প্রায় ৩০০ মানুষ এখনো পানিবন্দী অবস্থায় জীবন যাপন করছেন। দীর্ঘ দেড়মাস যাবৎ পানি সেচ দিয়েও জলাবদ্ধতা থেকে এখনো মুক্ত হতে পারেননি এই পরিবারগুলো। বার বার ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হাওলাদের কাছে ধর্না দিয়েও কোনো সুফল পাননি তাঁরা। ফলে চরম বিপাকে পড়েছে স্থানীয়রা।
পানিবন্দি নুর হোসেন জানান, পানি সেচ দিতে প্রতিদিন গড়ে তাদের তিন হাজার টাকার মত খরচ হয় । আর এই তিন হাজার টাকা তারা নিজেরাই ভাগাভাগি করে দিতেন। পানিবন্দি বাসিন্দাদের কষ্ট দেখে স্থানীয় বাসিন্দা নেকবর মেলকার নগদ ৫ হাজার টাকা, দেলোয়ার সরদার নগদ ১ হাজার টাকা ও সেচ মেশিনের ৮০ লিটার ডিজেল এবং বিক্রমপুর টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবের সদস্য বাবু হাওলাদার ৫০ লিটার ডিজেল দিয়ে জলবদ্ধ মানুষগুলোর সহায়তায় এগিয়ে আসেন।
খবর নিয়ে জানা গেছে, হাসাইল-বানারী ইউপির জনপ্রতিনিধি ও টঙ্গীবাড়ী উপজেলা প্রশাসন থেকে জলাবদ্ধতা নিরসনে কোনো ভূমিকা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান, মেম্বাররা সব জেনেও শুনেও আমাদের বিপদে এগিয়ে আসছে না। এর আগে হাসাইল বাজারের দোকানদারদের সমন্বয়ে কেনা একটি সেচ মেশিন দেন আমাদের চেয়ারম্যান কিন্তু ডিজেল খরচ আমাদেরই দিতে হয়। দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও জলাবদ্ধতা থেকে আমরা মুক্তি পাইনি।
এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মত হাসিনা আক্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।
আনন্দবাজার/শহক/শেরাফখ









