বিপদসীমা অতিক্রম করছে শীতলক্ষার পানি। শীতলক্ষ্যা নদী নারায়াণগঞ্জের চারদিক পরিবেষ্টিত। ফলে এ নদীর পানি বিপদসামী ছাড়ালে বন্যার কবলে পড়বে এই জেলাটি। করোনা দুর্যোগ না যেতেই আরেকটি দুর্যোগের কবলে পড়তে যাচ্ছে এ জেলার মানুষ।
এতে জেলাটির মানুষদের ‘সর্তক অবস্থা’ দেখিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
শনিবার (৪ জুলাই) সকাল থেকে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়।
শীতলক্ষ্যার বিপদসীমা হচ্ছে ৫.৫০ দাগে। গত ১ জুলাই সমতল ছিল ৪.৭৫, ২ জুলাই পানি বেড়ে ৪.৯০ মিটারে দাঁড়িয়েছে। ৩ জুলাই ০.১০ মিটার বেড়ে পানির সমতল হয় ৫.০০ মিটার। ৪ জুলাই সকালে আরও ০.২ মিটার বেড়ে পানির সমতল দাঁড়ায় ৫.০২ মিটারে।
গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও পাহাড় থেকে আসা পানিতে বাড়ছে নদীর পানির উচ্চতা। আর খুব দ্রুতই নদীর পানি বাড়ার কারণে নারায়ণগঞ্জবাসীও হতে পারে বানবাসী, বন্যায় শঙ্কা দেখা দিয়েছে শিল্পাঞ্চল নারায়ণগঞ্জেও।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গিয়েছে, প্রতিনিয়তই নদীর পানি একটু একটু করে বাড়ছে। দু’দিনের বৃষ্টির কারণে নদীর পানি আরো বেড়েছে। নদীর পানি বাড়ার কারণে নদীর তীর সংলগ্ন মানুষরাও রয়েছেন দুশ্চিন্তায়। তবে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে।
আনন্দবাজার/এফআইবি









