দক্ষিণ আমেরিকান আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংস্থা ‘মারকোসুর’র সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করতে আবেদন করেছে ঢাকা। এটি বাস্তবায়ন করতে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার দেশটির রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর নিকট পরিচয়পত্র পেশকালে বাংলাদেশের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফয়জুননেসা এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস ফ্রান্সাসহ পদস্থ কর্মকর্তারা ছিলেন।
এ সময় রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশ-ব্রাজিলের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিশেষ করে কৃষিখাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট।
মারকোসুর হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকান আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংস্থা অর্থাৎ সদস্য দেশসমূহের মধ্যে সব ধরনের পণ্য-সামগ্রির অবাধ প্রবাহ, বাণিজ্য-সম্প্রীতি, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পরস্পরের সহযোগী হওয়া। এর মূল সদস্য হচ্ছে- আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে এবং ভ্যানেজুয়েলা। সহযোগী সদস্য হচ্ছে- সুরিনাম, গায়ানা, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, পেরু, চিলি এবং বলিভিয়া। পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে নিউজিল্যান্ড এবং মেক্সিকো। বাংলাদেশ এই ফোরামের অন্তর্ভুক্ত হয়ে অর্থনীতি সমৃদ্ধির পথে এগুতে চায়।
এ সময় দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে সব ধরনের সহযোগিতার অঙ্গীকারও করেন প্রেসিডেন্ট। তিনি বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ৮ কোটি বাঙালির প্রতি অভিনন্দন জানান। ব্রাজিলকে পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করে বলেন, বন্ধুপ্রতিম সকল দেশের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে নিরন্তরভাবে কাজ করছে তার প্রশাসন।
দক্ষিণ আমেরিকায় বাংলাদেশের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রদূত সাদিয়া বাংলাদেশের নেতা শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী উপস্থাপন করেন।









