আজ পূর্ণ হলো অঘোষিত লকডাউনের এক মাস। এই অবরুদ্ধ ও বন্দি জীবনের শেষ কবে কেউ জানে না। তবে কর্মহীন ও অলস জীবনে হাঁপিয়ে উঠেছে সব বয়সী মানুষেরা। এছাড়া চরম সংকটে নিম্ন আয়ের মানুষ। ধুঁকছে মধবিত্তরা এবং ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছে উচ্চবিত্তরা। নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছে পুরো রাজধানী। নেই কোথাও কোনো কোলাহল। অচেনা হয়ে পড়ছে চেনা রাস্তাগুলোও। হাজারও পদচারনায় মুখর মহানগীর আজ যেন ঘুমিয়ে আছে কোন এ অশনিসংকেতের ভয়ে। আবার হাজার কোটি টাকার লেনদেনের ব্যস্ত মতিঝিল অফিস পাড়াও নেই কারো আনাগোনা। এ যেন এক নিসঙ্গ শহর। নেই তার পাশে কেউ। এভাবে কেটে গেল একটি মাস।
এদিকে, শিশুরা ভুলতে বসেছে নিত্যদিনের রুটিন। স্কুল বন্ধ তাই বন্ধুদের সাথে চলছে ভার্চুয়াল আড্ডা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ভিডিও গেমস সব কিছুই একঘেয়ে লাগছে। তবুও আটকে থাকতে হচ্ছে চার দেয়ালের মাঝেই।
করোনার বিস্তার ঠেকাতে গত ২৬ মার্চ থেকে চলছে সাধারণ ছুটি। দেশজুড়ে চলছে অঘোষিত লকডাউন। তবুও প্রতিদিনি বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এ যেন এক দমবন্ধ পরিস্থিতি। এছাড়া দীর্ঘ দিনের অবরুদ্ধ জীবন প্রভাব ফেলছে মনের ওপরও। তাই মানসিক চাপ নিয়ে ভাবছেন মনোবিজ্ঞানীরা।
সংক্রমন ঠেকাতে আপাতত এই অবরুদ্ধ পথের বিকল্প কিছু নেই। তাই যত নিশ্চিত হবে সামাজিক দুরত্ব ততই দূর হবে করোনার থাবা।
আনন্দবাজার/শহক









